website page counter ‘অসহায় ও দুস্থ মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন’ - শিক্ষাবার্তা ডট কম

শুক্রবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘অসহায় ও দুস্থ মুক্তিযোদ্ধারা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন’

নিউজ ডেস্ক।।

অসহায় ও দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোববার বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান।

সরকারি দলের সদস্য নরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সে অনুযায়ী অসহায় ও দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারিভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যয় করা হচ্ছে।

আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক জানান, দেশে সরকারি, বেসরকারি ও সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বর্তমানে ১২২টি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সার্বিক বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ জেলাসমূহে সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জেলার ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয়ে জরিপ করে নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মো. মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা শাস্ত্রে দেশের মেডিকেল কলেজসমূহে পাঠদানের জন্য শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও লেকচারার পদে অনুমোদিত ৩ হাজার ৮২৯টি পদের বিপরীতে শূন্যপদ রয়েছে এক হাজার ৭৭২টি। যার নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এটা দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

সরকারী দলের মামুনুর রশীদ কিরনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জনসংখ্যা রোধে সর্বোচ্চ দুই সন্তান গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের নেই। তবে, দেশের জনসংখ্যা সীমিত রাখার জন্য এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে সর্বোচ্চ দুই সন্তান গ্রহণে উদ্ধুদ্ধকরণে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, ডায়াগনসিসের ৪০ ভাগ কমিশন চিকিৎসক নেন, এটা কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে ঘটতে পারে। তবে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

জাতীয় পার্টির মো. ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের মো. হাবিবর রহমানের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গ্রামীণ জনপদে পল্লী ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে।

এই বিভাগের আরও খবরঃ