অধিকার ও সত্যের পক্ষে

সুপারিশ প্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি এনটিআরসিএ’র অবিচার কেন?

 তাপস সাহা ||

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০০৫ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গঠন করা হয়েছিলো। তখন থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি শুধু পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থী বাছাই করতো আর নিয়োগ দিতো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু ঘুষ বাণিজ্যের কারনে ২০১৬ সাল থেকে প্রার্থী বাছাইসহ নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্বও নেয় প্রতিষ্ঠানটি (এনটিআরসিএ)।

কিন্তু বিভিন্ন অনিয়মের কারণে শতশত মামলা জটিলতায় পরে প্রতিষ্ঠানটি। এই শত শত মামলার বেড়াজাল কাটিয়ে দুই বছর পর আবারও নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ। যাতে নিবন্ধন প্রার্থীরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলো। কিন্তু এই নিয়োগেও বিভিন্ন জটিলতা বা বৈষম্য সৃষ্টি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

যেমন সহাকারি শিক্ষক কৃষিতে স্কুলে যারা নিয়োগ পেয়েছে তাদের কোন বি. এড লাগছে না অথচ একই পরীক্ষা একই বিষয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগের জন্য বি. এড লাগবে। ফলে হাজার হাজার প্রার্থী নিয়োগের সুপারিশ পেয়েও পরেছে বিপাকে। কিন্তু ১-১৪ সার্কুলারে এমন কোন শর্ত ছিলো না। এখন তারা নতুন নীতিমালার দোহাই দিচ্ছে। অথচ ১-১৪ প্রার্থীরা এই নীতিমালার আগেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সনদ পেয়েছে। আবার এই একই নীতিমালার ৮ পৃষ্ঠার ১১.৩ এ বলা আছে সহকারী শিক্ষকরা নিয়োগের পর ৫ বছর পর্যন্ত বি.এড করার সুযোগ পাবে। তাহলে একই নীতিমালায় দুইরকম নীতি কেন? একই বিষয়ে নিবন্ধিত প্রার্থীর স্কুলে বি. এড লাগবে না কিন্তু মাদ্রাসায় বি.এড লাগবে এমন বৈষম্য কেন?

এমতবস্থায় মাদ্রাসার হাজার হাজার কৃষি বিষয়ের প্রার্থীরা আছে বিপাকে ও উৎকণ্ঠায়। তাই এই বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি যেন দ্রুতই এর সুষ্ঠ সমাধান করে এই মাদ্রাসার প্রার্থীদের মহাসংকট থেকে রক্ষা করে।

লেখক: শিক্ষক

একই ধরনের আরও সংবাদ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.