অধিকার ও সত্যের পক্ষে

মানুষ গড়ার কারিগরদের তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদা কেন?

 জামিল সরকার।।

একটা জাতির মেরুদণ্ড শক্ত করে গড়ে দেওয়ার কারিগর হলেন শিক্ষক। কোমল মগজে বর্ণমালা ঢুকিয়ে নিরক্ষরতা থেকে সাক্ষরতা শিখিয়ে শিক্ষিত মানব সম্পদ করে গড়ে তুলার জন্য,যারা এই মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে,তাদের মর্যাদা তৃতীয় শ্রেণীর,তাদের বেতন ১৫তম গ্রেডে এটা মধ্যম আয়ের দেশে এবং সভ্য দেশের অন্তরায়।

একটি দেশ একটি জাতিকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে,সেই জাতিকে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে জ্ঞান বিজ্ঞানে এগিয়ে এগিয়ে যেতে হয়,আর সেই কাঁচা মাটির মত কোমল মগজে জ্ঞানের আলো প্রথম স্থাপন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্প্রদায়, কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই মানুষ গড়ার নিপুণ কারিগররা পদমর্যাদা এবং বেতন বৈষম্যের শিকার।

বর্তমান সরকার সারা বাংলাদেশে যে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটিয়েছে,সে উন্নয়ন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় বাদ যায়নি,তথাপি বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে,শিক্ষিত জাতি গড়ার নিপুণ কারিগরদের তৃতীয় শ্রেণীর মর্যাদা এবং বেতন বৈষম্যের শিকলে বেঁধে হবে না।

আমি সরকারের নীতিনির্ধারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ রাখতে চাই,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কে তৃতীয় শ্রেণীর মর্যাদা থেকে উন্নীত করে অন্ততপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা দিয়ে এবং বেতন বৈষম্য দূর করে বিশাল এই শিক্ষক সম্প্রদায় কে রক্ষা করুন, বাংলাদেশের দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে সহযোগীতা করুন।

লেখক: সহকারী শিক্ষক বওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

একই ধরনের আরও সংবাদ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.