মুহাম্মদ মাহবুবর রহমান।।
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভ্যাকেশনাল কর্মচারী হওয়ায় প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য চাকুরীজীবীদের মতো বছরের যে কোন সময় ভোগ করতে পারেন না।
নন ভ্যাকেশনাল কর্মচারী না হওয়ায় ১৫ দিনের শ্রান্তি বিনোদন ছুটির অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় রমযান এর ছুটি পর্যন্ত।
ফলে দেখা যায় ৩ বছর পূর্ণ হলেও অনেক সময় রমজানের ছুটি না থাকায় এক বছরের ছুটি পরবর্তী বছরে গিয়ে মঞ্জুর হয় এক্ষেত্রে ৩ বছর পর যেটা পাওয়ার কথা সেটা ৪ বছর পর প্রাপ্য হয়।
তাছাড়া অনেক সময় বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় যথা সময়ে সরকারী অন্যান্য কর্মচারীর ন্যায় শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্য হয় না।
বছরের যে কোন সময় এ ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি গ্রীষ্মকালীন বা রমযানের ছুটিতে দেখিয়ে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রদান করা হয় কিন্তু গত কয়েক বৎসর যাবৎ গ্রীষ্মকালীন এ ছুটি ১৫ দিনের চেয়ে কম হওয়ায় তা শুধু রমযানের ছুটিতে দেখাতে হয়।
এক্ষেত্রে যে বছর এ ভাতা প্রাপ্য হয় সে বছরের রমযান পার হলে পরর্বতী বছরের রমযানের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
বছরের পর বছর ক্লাস করে ৩ বছর পরপর কাঙ্ক্ষিত চিত্ত বিনোদনের জন্য ভাতা পেলেও ছুটি মিলে না শিক্ষকদের কপালে। শিক্ষকদের জন্য শ্রান্তি বিনোদন ছুটি বছরের যে কোন সময় নন ভ্যাকেশনাল কর্মচারীদের মতো কার্যকর করলে সরকারের বাড়তি কোন অর্থের প্রয়োজন হবে না, প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা।
যারা কোটি কোটি অবুঝ শিশুদের স্বপ্ন দেখানো কাজে সরাসরি জড়িত সে সব শিক্ষকদের জন্য মেধা মনন বিকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি আমলে নিয়ে সদয় হস্তক্ষেপ জরুরী।
লেখক: শিক্ষক, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল