ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সরকারি মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্তে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম গঠন করা হয়। সে মোতাবেক মঙ্গলবার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম সরকারি মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজে আসেন সরেজমিন তদন্ত করতে।
মজিদ মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সমুহ হলো, অবৈধভাবে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল, কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞপ্তিবিহীন ও জনবল কাঠামো বহির্ভূত ১৫ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মহামান্য হাইকোর্ট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আদেশ অমান্য করে তহবিল তছরুপের ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিচালকের ৩৭.০২.৪৭০০.০০০.০১.০২.০১.১৭-৪৫১ নং স্মারকের চিঠি সূত্রে মজিদ মন্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা এ সব অভিযোগের খবর জানা গেছে।
তদন্ত টিমের প্রধান ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. শেখ হারুন অর রশিদ।
এ সময় একই দপ্তরের উপ-পরিচালক অধ্যাপক মোঃ কামরুজ্জামান ও সহকারী পরিচালক মোঃ এনামুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকালে তারা কলেজের নানা বিষয় নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিদ মন্ডলকে প্রশ্ন করেন। কিন্তু তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।
পরিচাল প্রফেসর ড. শেখ হারুন অর রশিদ গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, ভারপ্রাপ্ত পদে এক বছরের বেশি থাকা যায় না। তিনি কিভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে আছেন এ কথা মজিদ মন্ডলকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি চুপ থাকেন। এছাড়া কলেজ সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রশ্ন তাকে করা হয়। কিন্তু তিনি কোন প্রমান দিতেও ব্যর্থ হন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমানকে যোগদানের ক্ষেত্রে মহামান্য হাইকোর্ট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আদেশ অমান্য করার বিষয়েও তিনি চুপ থাকেন।
এবিষয়ে সরকারি মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডলের বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল