এইমাত্র পাওয়া

২০০ টাকায় প্রক্সি পরীক্ষা, ৮ শিক্ষার্থী ধরা

নীলফামারীর জলঢাকায় এবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আট শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের নিকট মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা শেখ মুশফিকুর রহমান।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলাটিতে ১৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আট হাজার ২৯০ জন ও এবতেদায়ি সমাপনীতে এক হাজার ৪৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

সোমবার দ্বিতীয় দিনে চলমান পিইসি ও এবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে পরীক্ষা চলছিল। এতে উত্তর দেশীবাই নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে উত্তর দেশীবাই ইসলামিয়া কছিমিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসার ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে আটজনই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে এসে প্রক্সি পরীক্ষা দিচ্ছে।

গোপন সূত্রে এমন খবর নিশ্চিত হয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা তাদের আটক করেন। প্রক্সি দিতে আসা শিক্ষার্থীরা হলেন তানিয়া, আইরিন, মুরাদ, বাবু, আজিম ইসলাম, তারিকুল ইসলাম, সিয়াম রাব্বি ও লিমন।

আটকরা জানায়, মাদ্রাসার ফলাফল ভালো করতে ওই মাদ্রাসা শিক্ষক মৌলভী অলিয়ার রহমান আমাদেরকে পরীক্ষায় অংশ নিতে বলেন। বিনিময়ে অলিয়ার রহমান আমাদের প্রত্যেককে ২০০ করে টাকা দেবেন। এজন্য আমরা পরীক্ষা দিতে এসেছি।

আটকদের বিকেল প্রায় তিনটা পর্যন্ত সবার অভিভাবক না আসায় তাদের নিকট মুচলেকা নেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা। পরে কাঁঠালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন তুহিনের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেন।

এনিয়ে ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিব নজমুল হক বলেন, প্রক্সি দিতে আসা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষা দেবার সুযোগ নাই।

এ বিষয়ে দায়িত্বরত কেন্দ্র কর্মকর্তা সহকারী শিক্ষা অফিসার শেখ মুশফিকুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের তথ্যের ভিত্তিতে দেখি উত্তর দেশীবাই ইসলামিয়া কছিমিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসার কিছু প্রক্সি পরীক্ষার্থী এসেছে। যাচাই-বাছাই করে আটজন প্রক্সি পরীক্ষার্থী পাওয়া যায়। তাদের অভিভাবক না আসায় আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেছি। আটককৃতদের মুচলেকা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.