ছাত্রলীগের নেতা হতে কর্মিরা পরীক্ষায় অবতীর্ণ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগে সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বে আসতে চাওয়া পদ প্রত্যাশীদের নেতা হওয়ার আগে ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকালে কাউনিয়া কলেজে প্রথম পরীক্ষা নেওয়া হয়। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে পরীক্ষা নেওয়া হবে পীরগাছা উপজেলায়। পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাব্বির আহমেদ। নেতা হতে ও নেতা বানাতে এমন ব্যতিক্রমী কার্যক্রমে বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে ছাত্র সংগঠনটি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কাউনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পদে ৪১ জন পদ প্রত্যাশী পরীক্ষায় অংশ নেন। ৫০ নম্বরের লিখিত এই পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিলো ৩০ মিনিট সময়। পরীক্ষার হলের দায়িত্বে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ ৬ নেতা। সেই পরীক্ষার খাতা এখনো কাটা হয়নি, দেওয়া হয়নি রেজাল্ট। প্রক্রিয়া অব্যহত রয়েছে।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী মোস্তফা মনির আনছারী বলেন, আমি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী। আমি দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতি করি। এই সংগঠনটি একটি মেধাবীদের সংগঠন তাই অনেকেই নেতা হতে চায়। তবে পরীক্ষা পদ্ধতিটি অনেক ভালো হয়েছে। যারা মাঠে ভালো করবে, পরীক্ষায় ভালো করবে, তারাই নেতা হবে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ বলেন, কাউনিয়া উপজেলায় আমাদের কর্মীসভা ছিলো। অনেকেই পদ পেতে আগ্রহী ছিলেন। সে কারণে, কর্মীসভা শেষে তাদের জীবন বৃত্তান্ত আমরা গ্রহণ করি। এরপর ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এই দুইটি বই থেকে প্রশ্ন করে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

সাব্বির বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন-আদর্শ সম্পর্কে জানতে হবে, পড়তে হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে একটি নতুন অধ্যায় সৃষ্টি হবে। আগামীতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবো।

রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম তানিম আহসান চপল বলেন, আমরা শুরু করলাম। জেলার সব ইউনিটে আমরা এভাবে পরীক্ষা নিয়ে নেতৃত্ব বাছাই করবো।

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু বলেন, রংপুর জেলা ছাত্রলীগ যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। আমার মনে হয় এর মধ্যে দিয়ে অভিজ্ঞ এবং গুণসম্পন্ন নেতা বেছে নেওয়া যাবে।