৮ শর্তে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি ও তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশপত্র দেওয়া হয়। যদিও আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুপারিশপত্র দেওয়ার কথা ছিল।

বুধবার রাতে এনটিআরসিএ সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত সুপারিশপত্র প্রার্থীদের দেওয়া হয়।

সুপারিশপত্রের শর্তে এনটিআরসিএ জানিয়েছে, ‘‘নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীর ব্যাপারে পুলিশ/নিরাপত্তা ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট এজেন্সি কর্তৃক ভেরিফিকেশনে কোনো বিরূপ মন্তব্য/আপত্তি উত্থাপিত হলে অবিলম্বে উক্ত সুপারিশপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। বিরূপ মন্তব্য সম্পন্ন প্রার্থী / শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়ার জন্য এনটিআরসিএ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রার্থীকে অবহিত প্রাপক অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক/সুপার।
করা হবে।

সুপারিশকৃত প্রার্থীকে আগামী ০৮.০১.২০২৩ তারিখের মধ্যে নিয়োগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সুপারিশকৃত প্রার্থীকে কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়া যোগদান না করালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠাননের জনবল কাঠামো ও এম.পি.ও নীতিমালা-২০২১ এর ১৮ (ঘ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত নিয়ম অনুসারে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রার্থী যোগদানের নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ টেলিটকের http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করে Joining Status অপশনে “Yes” ক্লিক করবেন। যোগদান না করলে “No” ক্লিক করে Reason উল্লেখ করতে হবে। সুপারিশকৃত প্রার্থীকে নিয়োগপত্র প্রদানের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সর্বশেষ জারিকৃত পরিপত্র ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এবং বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম), কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস্য ডিপ্লোমা] (২৩ নভেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্রার্থীর কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের মূল কপির সঠিকতা আবশ্যিকভাবে যাচাই করতে হবে।

এ ধরণের যাচাইকালে সুপারিশকৃত প্রার্থীর সনদ যথাযথ নয় মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে প্রমাণিত হলে তিনি সুপারিশৃত প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য বিষয়টি অনতিবিলম্বে জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে লিখিতভাবে এনটিআরসিএ-কে অবহিত করবেন।

চাহিদাপত্র প্রদানে ভুল তথ্যের কারণে অথবা প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের মূলকপি যাচাই না করার কারণে কিংবা পরবর্তীতে কোন জটিলতার কারণে কোন মামলা/আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হলে সে বিষয়ে সকল দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে এবং এক্ষেত্রে কোন ভাবেই এনটিআরসিএ-কে দায়ী করা যাবে না।

কোন প্রার্থী তার আবেদনে অসত্য তথ্য প্রদান করলে, সেক্ষেত্রে নিয়োগের এ সুপারিশ বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সুপারিশ স্থগিত/বাতিল করার অধিকার এনটিআরসিএ সংরক্ষণ করে।’’