৬ মাস থাকতে পারে করোনার উপসর্গ

প্রকাশিত: ৭:৩০ অপরাহ্ণ, মঙ্গল, ১২ জানুয়ারি ২১

অনলাইন ডেস্ক ||

চীনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে কারোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ছয় মাস পরেও বিভিন্ন উপসর্গে ভুগতে দেখা গেছে। এসব উপসর্গের মধ্যে রয়েছে দুর্বলতা ও ঘুমের সমস্যা।

সিএনএনের খবরে জানা যায়, করোনা মহামারির উৎসস্থল উহানে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে-এমন এক হাজার ৭০০ জনেরও বেশি রোগীর ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। হাসপাতাল ছাড়ার কয়েক মাস পরও ৭৬ শতাংশ রোগীর মধ্যে কমপক্ষে একটি উপসর্গ দেখা গেছে।

গবেষণায় আরও জানা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পরও শরীরে  দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাব থাকে। বিশ্বে নয় কোটিরও মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমতি হয়েছে।

চিকিৎসা সাময়িকী দ্য ল্যানসেটে স্থানীয় সময় গেলো শুক্রবার গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষণা বলছে, করোনাভাইরাসের উপসর্গ হিসেবে দুর্বলতা ও ঘুমের সমস্যা বেশি হয়। ৬৩ শতাংশ থেকে ২৬ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে। প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের ছয় মাস পরেও এমন উপসর্গ থাকতে পারে।

গবেষণা আরও বলছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে দীর্ঘ মেয়াদে মানসিক জটিলতা ও অস্বস্তি থাকতে পারে। ২৩ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে উদ্বিগ্নতা ও হতাশা দেখা গেছে। গবেষণা অনুসারে যেসব রোগী বেশি অসুস্থ ছিলেন এবং যাঁদের ফুসফুসের এক্স-রেতে বেশি ক্ষতি দেখা গেছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এমনটা বেশি ঘটে।

করোনাভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হিসেবে দুর্বলতা, হাঁপিয়ে যাওয়া, কাশি, হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা ও বুকে ব্যথার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া কম মনোযোগ, বিষণ্নতা, মাথাব্যথার মতো উপসর্গও থাকতে পারে।

চীন-জাপান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল ও ক্যাপিটাল মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ড. বিস কাও গবেষক দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ কোভিড-১৯ নতুন ধরনের রোগ। রোগীর শরীরে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলো কেবল আমরা বুঝতে করেছি।’

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.