৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশনা

প্রকাশিত: ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্র, ২২ জানুয়ারি ২১

নিউজ ডেস্কঃ

দীর্ঘ ১১ মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের প্রস্তুতি শেষ করতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই-এক দিনের মধ্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাইডলাইন পাঠাবে। তাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‌‘বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। যে কারণে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তবে কবে থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হবে-সেই দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়নি। স্বল্প সময়ের নোটিশে যাতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পারি সেজন্য স্কুল-কলেজগুলোকে প্রস্তুত করা হবে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ সংক্রান্ত গাইডলাইন পাঠানো হবে।’

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধিগত দিক অনুযায়ী বিদ্যালয়ের টয়লেটসহ অন্যান্য দিক পরিচ্ছন্ন, শ্রেণিকক্ষ, মাঠঘাট ও আশপাশ এলাকা পরিষ্কারসহ সার্বিক ধোয়ামোছা, স্যানিটাইজার-মাক্স কেনা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া করোনার কারণে স্কুল খুলতে বাড়তি ব্যয় হবে। সেই ব্যয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিবিধ তহবিল থেকে নির্বাহ করা হবে। এজন্য আলাদা কোনো খাতে ফি নেওয়া যাবে না বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, ১১ মাসের ছুটি শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয় পুনরায় চালুর জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া দরকার। এজন্যই মূলত ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হচ্ছে। এ সময়ে শিক্ষক ও কর্মচারীরা দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের যাবতীয় প্রস্তুতি নেবেন।সূত্রঃইত্তেফাক

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.