২০২২ সালের বিএড কোর্সে ভর্তির আবেদন শুরু

নিউজ ডেস্ক।।

বিএড, বিপিএড, এমএডসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিভিন্ন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুরা এসব কোর্সে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ মার্চ থেকে অনলাইনে এসব কোর্সের ক্লাস শুরু হবে।

এ কোর্সগুলোসহ ২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিএমএড, বিএসএড, এমএসএড, এমপিএড ও এলএলবি কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। গত সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, ২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিএড, বিপিএড, বিএমএড, বিএসএড, এমএড, এমএসএড, এমপিএড ও এলএলবি শেষ পর্বে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ আজ ২০ বিকেল ৪টায় অনলাইনে শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।

প্রাথমিক আবেদনের প্রিন্ট কপি নিয়ে ৩০০ টাকা ফিসহ ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কলেজে জমা দিতে হবে ভর্তিচ্ছুদের। স্নাতক পর্যায়ে উত্তীর্ণ পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজ আলাদা আলাদাভাবে কোর্সভিত্তিক মেধাতালিকা প্রণয়ন করবে। আর আগামী ১ মার্চ থেকে অনলাইনে এসব কোর্সের ক্লাস শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৪টি সরকারি, ১টি বিএমটিটিআই ও প্রায় ৭৫টি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ চলমান আছে। মাধ্যমিক পর্যাযের শিক্ষকদের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিএড ট্রেনিং বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো দিয়ে আসছে। বর্তমানে ৫০টির বেশি বেসরকারি বিএড কলেজ রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত সরকারি-বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো একই কোর্স-কারিকুলাম, একই সিলেবাস, অভিন্ন একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করে। বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যয়নরত প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ ও অন্যান্য নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রদান করে। তাই সচেতন শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ, আপনি প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি টিটি কলজের পাশাপাশি বেসরকারি বিএড কলেজগুলোও বেছে নিতে পারেন।

জানতে চাইলে টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোর নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি অধ্যাপক মশিউর রহমান রাইজিংবিডিকে বলেন, আমরা আমাদের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কাজ করছি। যদি তাদের মান খারাপ হয় ক্রমান্বয়ে তাদের বাদ দিয়ে দিতে হবে অথবা তাদের মানোন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে হবে। কিন্তু একটি বিষয় ক্লিয়ার করা দরকার, যেগুলো আমাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত প্রার্থীরা যেন সেগুলো থেকে কোর্স সম্পন্ন করেন। আমাদের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নাম আমরা ভর্তির বিজ্ঞপ্তির সময় তালিকা দিয়ে দিই। এটি দ্বিধাদ্বন্দ্বের কিছু নেই।

তিনি বলেন, অধিভুক্ত বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। তাদের মান বাড়ানো নিয়ে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে। আশা করছি দক্ষ শিক্ষক তৈরিতে এসব প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে কোর্সে আগ্রহীদের কোনোভাবেই বিভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। যতদিন এসব প্রতিষ্ঠান আমাদের তালিকাভুক্ত থাকবে ততদিন যারা এখান থেকে কোর্স করবে তাদের সনদ জটিলতা থাকবে না। অধিভুক্ত বাতিল হলেও আগে যারা অধিভূক্ত থাকাকালীন কোর্স করেছে তাদের সনদ বাতিল হবে না।