১ ও ২ ফেব্রুয়ারী হবে ৩৫ তম জাতীয় কবিতা উৎসব

আগামী ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসংলগ্ন হাকিম চত্বরে ৩৫ তম জাতীয় কবিতা উৎসব-২০২৩  অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজনে আবারও শুরু হচ্ছে কবি ও কবিতার এ মিলনমেলা। কবিতা উৎসবের এবারের স্লোগান ‘বাংলার স্বাধীনতা আমার কবিতা’।উৎসবকে সামনে রেখে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) দ্বিতীয় তলায় সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় কবিতা পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদ। এতে জানানো হয়, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের কবিরা এবারের উৎসবে অংশ নেবেন। উৎসবে জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কারপ্রাপ্ত কবির নাম ঘোষণা করা হবে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তারিক সুজাত।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে, সেই সময় আমরা ২০২০ ও ২১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করেছি। ২০২১ সালে পালিত হয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ বছর আমাদের কবিতা উৎসবের মর্মবাণী: বাংলার স্বাধীনতা আমার কবিতা। দুই দিনব্যাপী এ উৎসবে কবিতাপাঠ, নিবেদিত কবিতা, সেমিনার, আবৃত্তি ও সংগীতের মধ্য দিয়ে আমরা এ স্লোগানকে মূর্ত করে তুলব।
সংবাদ সম্মেলনে কবিতা উৎসব শুরুর প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, আজকের প্রজন্মের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়, কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কবিতা উৎসব হয়েছে। আমরা পথে পথে মানুষের কাছে সহযোগিতা পেয়েছি। সাংবাদিক, সাহিত্যিক, লেখক, প্রকাশক সবাই যে যা পেরেছেন, আমাদের সহযোগিতা করেছেন।

টিএসসির সড়কদ্বীপে আমরা মঞ্চ করেছিলাম। সেই উৎসব রোকেয়া হল ও শামসুন নাহার হল ছাড়িয়ে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এর প্রধান কারণ ছিল সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ, দেশকে সামরিক স্বৈরাচার মুক্ত করে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরিয়ে নেওয়া।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে এবারের জাতীয় কবিতা উৎসবের আহ্বায়ক শিহাব সরকার, জাতীয় কবিতা পরিষদের নেতা আমিনুর রহমান সুলতান, আসলাম সানী, নাসির আহমেদ, কাজল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।