১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলির ফল চলতি মাসে

 নিউজ ডেস্ক।।
১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল চলতি মাসে প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে ওএমআর শিট দেখার কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) একাধিক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এনটিআরসিএ’র একটি সূত্র জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের একমাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হয়। সেভাবেই ফল তৈরির সাথে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফল তৈরির সাথে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ওএমআর শিট দেখার কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন।

ওই সূত্র আরও জানায়, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলার খাতা মূল্যায়নের কাজ শেষ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, দীর্ঘদিন পর ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনেক প্রার্থীর বয়স শেষ দিকে বলে আমাদের জানিয়েছেন। তাই আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে চেষ্টা করছি।

ওই কর্মকর্তা আরও জনান, কয়েকটি জেলার ওএমআর শিট দেখার কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৩০ অথবা ৩১ জানুয়ারি ফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওই দুইদিনের যেকোনো একদিন প্রিলির ফল প্রকাশ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র উপপরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) দীনা পারভীন দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ১৭তম নিবন্ধনের খাতা দেখার কাজ চলছে। এর বেশি এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়।

আগামী ৩০ অথবা ৩১ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তথ্যমতে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দীর্ঘ ৩৪ মাস পর ১৭তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর স্কুল-২ ও স্কুল এবং ৩১ ডিসেম্বর কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলির ফল চলতি মাসে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসতে আবেদন করেন ১১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থী। একই বছরের ১৫ মে প্রিলিমিনারির তারিখ ঘোষণা হলেও করোনাভাইরাসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।