স্বাধীনতার ৫০ বছর: গিনেস বুকে নাম লেখানো লিনু

প্রকাশিত: ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ, বৃহঃ, ৮ এপ্রিল ২১

নিউজ ডেস্ক।।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সাধারণ মেয়ে’ কবিতাটি ভীষণ প্রিয় লিনুর। কবিতায় মালতী নামের সাধারণ মেয়েটি তাকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানান বাংলা সাহিত্যে নারী চরিত্র চিত্রণের সার্থক রূপকার শরৎচন্দ্রের প্রতি। বাস্তবে যদি নাও জেতেন দুঃখ নাই, তবে গল্পের সাধারণ মেয়েটি যেন জেতেন, ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’র কাছে এই প্রার্থনা করেন মালতী। শরৎ বাবু চাইলে তো কলমের এক আঁচড়ে সাধারণ মেয়েকে করে তুলতে পারেন অসাধারণ, দ্বিগ্বিজয়ী। সাধারণ মেয়ে এক এক করে সব বাঁধা পেরিয়ে পৌঁছুবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে, কবি গুরুর কল্পনার এই যে চাওয়া, সেটাকে খুব বেশি সত্য মনে হয় লিনুর কাছে।

জোবেরা রহমান লিনু কি তবে কবির কল্পনার সেই ‘সাধারণ মেয়ে’, যিনি প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়েছিলেন নিজ নামে। কলমের আঁচড়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আর বাস্তবে স্বনামধন্য হওয়ার পার্থক্যটি যে কত ব্যাপক, সেটা খুব ভালভাবেই অনুধাবন করেন বাংলাদেশ নারী টেবিল টেনিসের রানি গিনেস বুকে নাম লেখানো লিনু।

১৯৭৪ থেকে ২০০২; সুদীর্ঘ ২৮ বছরের ক্যারিয়ারে জাতীয় টেবিল টেনিসে শিরোপা জিতেছেন ১৬ বার। শুরু করেছিলেন মাত্র ৯ বছর বয়সে। আর শেষটা টানেন ৩৭ বছর বয়সে। ১৯৭৪ সালে ফাইনালে বড় বোন মুনিরা রহমান হেলেনের কাছে হেরে রানার-আপ হন। এখানে বলে রাখা ভাল, হেলেনের চেয়ে বয়সে ৮ বছরের ছোট লিনু। তার এই রানার-আপ হওয়াটা স্থায়ী হয়নি দুই বছরের বেশি। ১৯৭৭ সালে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ওঠে ১২ বছরের লিনুর মাথায়। জেতেন ট্রিপল ক্রাউন। এরপর দেশের টিটি আর লিনু সমার্থক।

টানা পাঁচ বার শিরোপা (১৯৯৪ থেকে ৯৮) জিতেছেন একবার। চারবার করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন দুবার ( ১৯৮২ থেকে ‘৮৬ ও ১৯৮৯ থেকে ’৯২)। কয়েকবার অংশ নেননি। ক্যারিয়ারের শেষ দুই বছরেও (২০০০ ও ২০০১) শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখেন। ধারাবাহিক সাফল্যের পুরস্কার হিসেবে ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক রেকর্ডসে’।

গিনেস বুকের স্বীকৃতি পাওয়ার আগে কম ঝড়-ঝাপটা সামলাতে হয়নি এই টেনিস নন্দিনীকে। মধ্য নব্বইয়ে টিটি থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিলেন জানিয়ে বলেন, “১৯৯৬ সালে টিটি থেকে সম্পর্কচ্ছেদ করতে চেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল যশ-খ্যাতি অর্জন, বিদেশ ভ্রমণ যথেষ্টই হয়েছে। আর বয়সও খুব পক্ষে ছিল না। ফিটনেস ধরে রাখাটাও কঠিন হয়ে পড়ছিল। এসময় , টিটি ফেডারেশনের কেউ কেউ আমাকে খেলাটা চালিয়ে যেতে বললেন। আরও কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন হলে গিনেস বুকেও নাম উঠে যেতে পারে- এমনটাও বললেন। তখন বিষয়টা আমার মনে ধরল।”

স্রেফ মনে ধরা নয়, মনে গেঁথে গিয়েছিল বলেই গিনেস বুকে নাম লেখানোকেই পাখির চোখ করলেন লিনু। এখানেও বিপত্তি। ২০০১ সালে জাতীয় টেবিল টেনিসের আসর বসেছিল রংপুরে। ওই সময় বাংলাদেশ বিমানের হয়ে খেলতেন লিনু। রংপুরের আসরে অংশ নেয়নি বিমান। লিনুর মাথায় তখন ’গিনেস বুক রেকর্ডস’। স্বতন্ত্রভাবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কথা বিমান কর্তৃপক্ষকে জানালেন। কিন্তু তারা পরিস্কার জানিয়ে দিল, ব্যক্তিগত উদ্যোগে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হলে তোমাকে বিমান ছাড়তে হবে!

এর আগে ১৯৮২ থেকে ২০০০ দীর্ঘ ১৯ বছর বাংলাদেশ বিমানের হয়ে খেলেছেন লিনু। ক্যারিয়ারের প্রান্ত বেলায় এসে এই সমর্থনটুকু পেলেন না। বিমানের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল দুই কথায়। স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিলেন এবং যথারীতি শিরোপা জিতলেন। এরপর গিনেস বুক রেকর্ডসে নাম লেখাতে আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। ২০০২ সালের মে মাসে পেলেন পরম কাঙ্ক্ষিত সেই স্বপ্নের নাগাল। গিনেস বুকে স্থায়ী গেল লিনুর নাম।

লিনুর সাফল্য শুধু দেশের সীমানাতেই আটকে থাকেনি। ১৯৮০ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান টিটিতে লাভ করেন পঞ্চম স্থান। ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদের পেন্টাদুলায় আন্তর্জাতিক টিটি প্রতিযোগিতায় ডাবলসে হন রানার্স আপ। এই অর্জনে তার সঙ্গী ছিলেন কাজি জেবুন্নেচ্ছা দিলা। রানার আপ হন পাকিস্তান ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে। ১৯৯৭ সালে ঢাকায় বিটিসির সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত বিটিসি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় শিরোপা জেতেন। ফাইনালে হারান নেপাল চ্যাম্পিয়নকে। সাফ গেমসে অবশ্য সেভাবে বড় কোন অর্জন নাই। চতুর্থ স্থান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দুই বার।

১৯৮০ সালে এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠাটাকে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন লিনু।

বাংলাদেশের অ্যাথলিটদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে এশিয়ান গেমসে পদক জেতাটা শুধু কঠিন বললেও কম বলা হবে। এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে কেবল মাত্র একটি পদকই এসেছে বাংলদেশে। ১৯৮৬ সালে সিউল অলিম্পিকে বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন মোশাররফ হোসেন। গত সাড়ে তিন দশকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে এ একটিমাত্র পদকই আমাদের সম্বল হয়ে আছে।

১৯৮০ সালের এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপ এখনও পোড়ায় লিনুকে। ওই আসরে পদক জেতার খুব কাছ থেকে ফিরতে হয়েছিল জানিয়ে বলেন, “সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আমার প্রতিপক্ষ ছিল এক জাপানি মেয়ে। প্রথম দুই সেট জিতলাম। লিড নিলাম ২-০ তে। মনে হিচ্ছল, দিনটা আমার হতে যাচ্ছে। এরপর ওই মেয়েটার সঙ্গে ওর কোচ কিছুক্ষণ কথা বলল। খেলা শুরুর হওয়ার পর আমি আর মেয়েটার সঙ্গে এঁটে উঠতে পারলাম না। পরে ওই মেয়েটাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এখন আমি বুঝি, ভাল মানের কোচ না থাকলে খুব বেশিদূর এগুনো যায় না।”

টেবিল টেনিস তারকা লিনুর আড়ালে অনেকটাই আড়াল হয়ে গেছে লিনুর সাইক্লিস্ট পরিচয়। ১৯৭৮ সালে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগিতায় প্রথমবার অংশ নিয়েই হয়েছিলেন দেশ সেরা। ১৯৬৫ সালে জন্ম নেওয়া লিনুর বয়স তখন মোটে ১৩। পরের দুই বছরও চ্যম্পিয়ন। সাইক্লিংয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা। ১৯৮১ সালে হন রানার আপ। এরপর আর প্রতিযোগিতামূলক সাইক্লিংয়ে ফেরেননি। একদিকে টিটি আর অন্যদিকে পড়াশোনার চাপ, শেষ পর্যন্ত বিদায় দেন প্রিয় সাইক্লিংকে। তবে সাইকেলের প্রতি তার শৈশবের ভালাবাসার জায়গাটি এখনও অটুট। আছেন সাইক্লিং ফেডারেশনের সঙ্গেও। দায়িত্বপালন করছেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে।

লিনুর সাইকেল প্রেম নিয়ে আছে রোমাঞ্চকর সব ঘটনা। স্কুল পড়ুয়া লিনু প্রায়ই সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন পরিবাগের বাসা থেকে। বাংলা মটর-কাওরানবাজার-ফার্মগেট-পুরান বিমানবন্দর পেরিয়ে মহাখালী কিংবা আরও দুরে। মাঝে মধ্যেই ‘ধাওয়া’ দিতেন বেবি ট্যাক্সিকে। কোন ট্যাক্সিকে ক্রস করতে পারলে মুখে ফুটে উঠত বিশ্ববিজয়ীর হাসি। ট্যাক্সি ধাওয়া করতে গিয়ে একটা মজার ঘটনার কথা জানান লিনু। বললেন, “সাইকেল নিয়ে ট্যাক্সি তাড়া করছি, এমন সময় দেখি ওই ট্যাক্সির ভেতর মায়ের সঙ্গে বসে থাকা আমার বয়সী একটা মেয়ে আমাকে হাত ইশারায় ডাকছে। কাছাকাছি যেতেই মেয়েটা আমার হাতে একটা আপেল দিল। ছোট বেলায় আমি খুব খেতে ভালবাসতাম। মেয়েটার হাত থেকে আপেলটা ছো মেরে নিয়েই খেতে শুরু করলাম।”

লিনুর টিটিতে আসেন তার বাবা আব্দুর রহমানের হাত ধরে। প্রকৌশলী রহমান সাহেবের বদলির চাকরি। লিনুর জন্ম কাপ্তাইয়ে। টিটিতে হাতে খড়ি সিলেটের সাহাজী বাজারে। বাবার সঙ্গে অফিসার্স ক্লাবে তার নিত্য যাতায়াত। বড় বোন হেলেন টেবিল টেনিস খেলেন ক্লাবে। আট বছরের লিনু তখন দৌড় ঝাপ, ছি-বুড়ি, গোল্লাছুট এসব নিয়েই ব্যস্ত। দৌড়ে সমবয়সী ছেলেরাও লিনুর সঙ্গে এঁটে উঠতে পারে না। স্পোর্টস নিয়ে মেয়ের আগ্রহ ও প্রতিভা দুই-ই আছে, এটা বুঝতে পারলেন ক্রীড়াপ্রেমী রহমান সাহেব। হেলেনের সঙ্গে লিনুকেও টেবিল টেনিস খেলা শেখানো শুরু করলেন। তবে অফিসার্স ক্লাবে অল্প সময়ের জন্য সৌখিন খেলাকে যথেষ্ট মনে হলো না। বাসাতেই দুই মেয়ের খেলার আয়োজন করলেন। ডাইনিং টেবিল হল খেলার জায়গা। টেবিলে খাতা বিছিয়ে দেওয়া হল নেটের আকৃতি। ব্যাট দিয়ে বল মারা এবং দেয়ালে আঘাত লেগে ফিরতি বলে আবার আঘাত করা। এভাবেই অনুশীলন চলল দিনের পর দিন।

এইসব ‘পাগলামীর’ ফল মিলল ১৯৭৪ সালে, ঢাকার প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত টিটি টুর্নামেন্টে। দুই মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় আসলেন রহমান সাহেব। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার ব্যবস্থা করলেন মেয়েদের। বাকিটা বিস্ময়! ফাইনালে দুই সহোদরা। শিরোপা লড়াইয়ে বড় বোনের কাছে হেরে গেলেন ৯ বছরের লিনু। ওই সময়ের কথা খুব বেশি মনে নাই লিনুর। তবে এটুকু মনে আছে যে, টেবিলের উচ্চতা আর তার উচ্চতা ছিল প্রায় সমান। ফাইনালে বড় বোনের কাছে হেরে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, “চ্যম্পিয়ন-রানার্স আপ ওসব ভালমত বুঝিও না। শুধু এটুকু বুঝতাম যে হেরে যাওয়াটা খুব বাজে, পঁচা একটা ব্যাপার।” খেলার মাঠে হার না মানা দৃঢ়তা দেখাতে হবে, লিনুর এই মানসিকতা তৈরি হয় ছেলেবেলা থেকেই।

খেলা ছেড়ে দিলেও খেলা লিনুকে ছাড়েনি। খেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিয়েছেন সাংগাঠনিক দায়িত্ব। টিটি ফেডারেশনের প্রথম মহিলা জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার ওই ফেডারেশন থেকে ইস্তফাও দিয়েছেন। তাকে ডিঙিয়ে একজন জুনিয়রকে সিনিয়র সহ সভাপতি করায় স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন টিটি ফেডারেশন থেকে। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সঙ্গে আছেন। বিওএ-র অ্যাথলিট কমিশনের চেয়ারম্যান তিনি। এ সংস্থাটি তৈরি হয়েছে বছর দেড়েক আগে। এ নিয়ে বললেন, “খুব ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে অ্যাথলিট কমিশন তৈরি হয়েছে। প্লেয়ারদের সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। তবে কাজে সেভাবে গতি আনতে পারিনি। সাফ গেমসের পর এ করোনা মহামারী। তবে এ সংগঠন থেকে ভাল কিছু করা সম্ভব বলে আমার বিশ্বাস।”

লিনু কবিতা লেখেন, গল্প লেখেন, লেখেন উপন্যাস। তার লেখার বিষযবস্তু সরল সবুজ শৈশব আর রোমান্টিকতা। বাস্তবের জীবনটা যতই কঠিন হোক, স্বপ্নের জগতটাকে ধরে রাখতে চান যে কোন মূল্যে। কিন্তু চেনা জগৎটা অনেক সময়ই বড্ড অচেনা ঠেকে ছোটবেলায় নিজেকে সমাপ্তি’র কেন্দ্রীয় চরিত্র মৃন্ময়ী কল্পনা করা লিনুর। বলেন, “সমাপ্তির মৃন্ময়ী চরিত্রটা আমার খুবই প্রিয়। মৃন্ময়ীর যেমন সব দস্যিপনার আশ্রয়স্থল ছিল বাবা, আমারও তাই। তবে শৈশবের সেই সরল আবেগ দিয়ে আর চারপাশটাকে মেলাতে পারি না। সবকিছু কত পাল্টে গেছে। এই ধরুন, ঢাকার কথাই। সাড়ে চার দশক ধরে ঢাকা দেখছি। যতদূর মনে পড়ে ১৯৭৭/৭৮ সালে ঢাকায় প্রথম ফাস্টফুডের দোকান ইয়াম ইয়াম চালু হল। এখন দেখেন ঢাকায় কত বড় শপিং কমপ্লেক্স, বড় বড় হোটেল-রেস্টুরেন্ট, কত বাহারী সাজ-সজ্জা । কিন্তু আগের সেই শান্তি নাই। মানুষে মানুষে কত অবিশ্বাস, কত বিভেদ! আগে মেয়েদের যে নিরাপত্তা ছিল তার ছিটেফোঁটাও এখন নাই।”

মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী লিনু হিসেব মেলাতে পারেন না। বলেন, “আমার মঝে মাঝে মনে হয় কি জানেন, মানুষ শুধু বহিরাঙ্গেই্ আধুনিক। মননে এখনও সেই মধ্যযুগীয়। আবার পরক্ষণেই মনে হয়, হয়ত এ সংকট সাময়িক। বড় প্রয়োজনে মানুষ আবার এক হয়ে উঠবে। শেষ পর্যন্ত স্বপ্নের নির্মাতা তো মানুষই।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.