স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে চল্লিশোর্ধ্ব নারী

স্ত্রীর দাবিতে নড়াইলের লক্ষ্মীপাশা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফারুক হোসেনের অফিসে হাজির হয়েছিলেন চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষিকাদের চাপে ওই নারী চলে যান।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে স্বজনদের নিয়ে তিনি অধ্যক্ষের দপ্তরে হাজির হন। ওই নারীর বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায়।

তার দাবি, ‘অধ্যক্ষ ফারুক হোসেন আমাদের বাড়িতে লজিং থেকে বিএল কলেজে লেখাপড়া করতেন। সে সময় তিনি বিএল কলেজে ছাত্রশিবিরের রাজনীতি করতেন। ১৯৯৮ সালের ১০ মে ফারুক হোসেনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। যার রেজিস্ট্রি কাবিন আমার কাছে আছে।’

ওই নারী আরও বলেন, ‘তার বাড়িতে পরে নিয়ে যাবেন বলে বাবাবাড়িতে আমাকে রেখে সংসার করেছেন। সেই থেকে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। আমার মা ও ভাইয়ের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। কয়েক মাস আগে আমার মা মারা গেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি। আমি অনেক পরে জানতে পেরেছি অধ্যক্ষ ফারুক হোসেন আরেকটি বিয়ে করেছেন। স্ত্রীর দাবিতে তার কলেজে যাই।’

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ ফারুক হোসেন  বলেন, ‘১৯৮৩ সালে ওই বাড়িতে লজিং থাকতাম। সে সময় ওই নারী তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। পরবর্তীতে আমি পড়াশোনা শেষ করে বাড়িতে চলে আসি। এক সময় শিক্ষকতায় যোগ দেই। ১৯৯১ সালে অভিভাবকদের মাধ্যমে যে মেয়েকে বিয়ে করি তিনি বর্তমানে সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন।’

অধ্যক্ষের দাবি, ‘ওই নারী কু-মতলবে লোভের বশবর্তী হয়ে আমাকে স্বামী হিসেবে দাবি করছেন। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তিনি অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন।’