সরকারিকৃত কলেজগুলোর চলমান সংকট ও উত্তরণের উপায়

মো. শরীফ উদ্দিন আহমেদ।।

সিলেটের উপজেলা ভিত্তিক সরকারিকৃত একটি কলেজের মোট শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয়ে শূন্য পদের সংখ্যা ১৭টি। এরমধ্যে বাংলা, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভূগোল, দর্শন ও অর্থনীতিতে তিনজন করে থাকার কথা থাকলেও প্রত্যেকটি বিষয়ে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র একজন করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তিনজনের মধ্যে রয়েছেন দুইজন। এ ছাড়া বিজ্ঞান শাখার গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় রসায়ন ও উচ্চতর গণিত এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। টেনেটুনে কোনোরকমে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ দুটি পদই শূন্য। বাংলা বিষয়ের শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করায় বাংলা বিষয়ের পদ শূন্য হয়েছে। কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি মিলে প্রায় ১৬০০ জনসহ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৫০০ জন। সরকারীকরণের আগে দুইজন অফিস সহকারী থাকলেও বর্তমানে একজন অবসরে গেছেন এবং আরেকজন অন্যত্র গমন করায় দুটি পদই শূন্য রয়েছে। ১০ জন এমএলএসএস(MLSS) এর মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত মাত্র ১ জন। খণ্ডকালীন কর্মী দিয়ে চলছে অফিস কার্যক্রম।

কলেজটি সরকারীকরণের প্রক্রিয়ায় আসে ২০১৬ সালে। তখন থেকেই নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। কলেজটির শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণের কাজ সম্পন্ন না হওয়ার কারণে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট জিও(Government Order) জারির পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপর কৃতজ্ঞতা স্বরূপ কলেজের নামের সাথে সরকারি শব্দটি যুক্ত করে সাইনবোর্ড লাগলেও শিক্ষার্থীদের বেতন ও ফি দিতে হচ্ছে বেসরকারি নিয়মেই। অভিভাবকদের আক্ষেপ, যদি সরকারি বেতনে পড়াশোনা করার সু্যোগ না থাকে তাহলে কী দরকার ছিল এই সরকারীকরণের?

এটি শুধু সিলেটের সরকারিকৃত এ কলেজের চিত্র নয় বরং এ চিত্র উপজেলা ভিত্তিক সরকারি হওয়া সারা দেশের কলেজগুলোর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ ও একটি করে হাইস্কুল সরকারীকরণের ঘোষণা দেন। এরপর শুরু হয় সরকারীকরণের কাজ। প্রায় তিন শতাধিক কলেজ বর্তমানে এ প্রক্রিয়ায় থাকলেও দীর্ঘ ৭ বছরে মাত্র একটি কলেজের নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এতে করে কলেজগুলোতে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা খুবই উদ্বেগজনক।

চলমান সংকটসমূহ :
শিক্ষক সংকট
সরকারিকৃত কলেজগুলোর শিক্ষক সংকট এখন চরমে। বেশিরভাগ কলেজের গেল ৭ বছরে প্রায় অর্ধেক শিক্ষক পদ শূন্য হয়েছে। পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগই গরীব ঘরের সন্তান। টিউশন বা কোচিং সেন্টারে বাড়তি টাকা খরচ করে পড়াশোনা করা তাদের পক্ষে অসম্ভব। কলেজের পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হওয়ায় তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে স্বপ্ন নিয়ে উপজেলা ভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি করেছেন এসব কারণে তা অনেকটা বাধাগ্রস্ত বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মূলত দেশের গ্রামীণ এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণের কাজে মনোনিবেশ করেন। গ্রামীণ এলাকার জনগণ যাতে সরকারি অল্প বেতনে তাদের সন্তানদের শহরের উন্নত পড়াশোনার আদলে মফস্বলেই পড়াশোনা করাতে পারে সেটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু এতে বোধহয় হিতে বিপরীতই হলো! কারণ শিক্ষার্থীরা অনলাইনে সরকারি কলেজ লেখা দেখে ভর্তির জন্য আবেদন করে। কিন্তু চান্স পেয়ে যখন কলেজে ভর্তি হতে আসে তখন বেসরকারি নিয়মে বেতন ও ফি পরিশোধ করতে তারা হিমশিম খায়। গরীব অভিভাবকদের কষ্টের তখন কোনো সীমা থাকেনা। সরকারি কলেজে বেসরকারি নিয়ম! এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা!

প্রশাসনিক স্থবিরতা
সরকারিকৃত এসব কলেজগুলোতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এখন অভিভাবক শূন্য। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা থাকায় বেশিরভাগ কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষগণ অবসরে গেছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। অফিস স্টাফদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অবসরে যাওয়ায় কলেজ পরিচালনায় হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। অনেকসময় বাধ্য হয়ে শিক্ষকদেরই করতে হচ্ছে অফিসিয়াল কাজ।

নন এমপিও শিক্ষকদের দুরবস্থা
সরকারিকৃত এসব কলেজে দুই ধরনের শিক্ষক রয়েছেন। এমপিওভুক্ত ও নন এমপিও। এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ সরকারি বেতন-ভাতার অংশ পেলেও নন এমপিও শিক্ষকগণ প্রতিষ্ঠান থেকে যতসামান্য বেতন-ভাতা প্রাপ্ত হন। এসব কলেজের দু-একটি বাদ দিয়ে বেশিরভাগ কলেজেই অনার্স কোর্স চালু রয়েছে। অনার্স কোর্সের শিক্ষকরা প্রায় ২৮ বছর ধরে এমপিওভুক্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত। কিন্তু সরকারীকরণের পর এবং পরবর্তীতে করোনা অতিমারীর কারণে এসব কলেজের আর্থিক সংকট এখন চরমে। ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল এসব কলেজের স্থাবর অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি দানপত্র দলিল (Deed of Gift)-এর মাধ্যমে সরকারের অনূকূলে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে প্রায় ৯০ শতাংশ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা বন্ধ হয়েছে। এসব শিক্ষক-কর্মচারীগণ পরিবার-পরিজনের ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে রীতিমতো মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আত্তীকরণের কাজ ঝুলে থাকায় কবে সরকারি বেতন পাবেন তা নিয়েও তাঁরা রয়েছেন চরম উৎকন্ঠায়।

অবসরে যাওয়া শিক্ষকগণের অনিশ্চয়তা
ইতোমধ্যে এসব কলেজের জিও জারির পর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে গেছেন। ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮’ অনুসারে জিও জারির সময় যাঁরা চাকরিরত ছিলেন তাঁরা সবাই সরকারীকরণের আওতায় আসার কথা স্পষ্ট না থাকলেও মৌখিকভাবে মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ একাধিকবার তাঁরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন। দেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর “জাতীকরণের দিন থেকে সুবিধা পাবেন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা” শিরোনামে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো পরিপত্র জারি না হওয়ায় এসব শিক্ষকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তা ছাড়া প্রতিদিনই কেউ না কেউ অবসরে যাচ্ছেন। আদৌ তাঁরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন কিনা সেটা অনেকটা সুদূরপরাহত।

অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ
সরকারি কলেজে সন্তানদের পড়াশোনা করাতে বেসরকারি নিয়মে বেতন ও ফি পরিশোধ করতে যেয়ে অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় অভিভাবকদের সাথে কলেজ প্রশাসনের মতবিরোধ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ক্ষোভ থেকে যেকোনো সময় দেশব্যাপী আন্দোলনের দানা বেঁধে উঠা অস্বাভাবিক কিছু না। তাই এখনই এর একটা বিহিত করতে না পারলে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হতে পারে। সরকারের এরকম একটি সুন্দর এবং যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিয়ে যাতে কোনো সমালোচনায় পড়তে না হয় সেজন্য সকলকে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিৎ।

সংকটের যেভাবে শুরু :
মূলত ২০১৬ সাল থেকে সরকারীকরণের কাজ আরম্ভ হয়। প্রথমে মাউশি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কর্মকর্তাগণ সরেজমিনে এসব কলেজের যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। পরবর্তীতে মাউশি অধিদপ্তর-ঢাকায় দ্বিতীয়বার একই কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় তৃতীয়বারের মতো একই কাগজপত্রের যাচাই-বাছাই শেষ করে। এর মধ্যে বিসিএস ক্যাডারের শিক্ষকগণ কর্তৃক ‘নো বিসিএস, নো ক্যাডার’ আন্দোলনের দ্বারা এসব কলেজের সরকারীকরণের কাজ দীর্ঘদিন বাধাগ্রস্ত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮ প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত নতুন সরকারি হওয়া কলেজের শিক্ষকগণ শিক্ষা ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত হয়ে এসেছেন। কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে তখন কোনো পার্থক্য ছিলনা।

কিন্তু ক্যাডার শিক্ষকগণের অব্যাহত আন্দোলনের কারণে দীর্ঘদিন আত্তীকরণের কাজ স্থবির থাকার পর ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা, ২০১৮’ নামক নন ক্যাডার বিধিমালার গেজেট প্রকাশ হয়। নতুন এ বিধিমালার দ্বারা প্রথমবারের মতো কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে ক্যাডার এবং নন ক্যাডার দ্বারা বিভাজন সৃষ্টি হয়। অবশেষে ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট ২৭১ টি কলেজকে একযোগে সরকারি করার প্রজ্ঞাপনে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট থেকে কার্যকর ঘোষণা করা হয়। পর্যায়ক্রমে আরও কিছু কলেজ এ তালিকায় যোগ হলে এ পর্যন্ত ৩২১ টি কলেজ সরকারীকরণের প্রক্রিয়ায় আসে। অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে চলছে সরকারীকরণের কাজ। তিনবার যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন আন্দোলনের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে আত্তীকরণের কাজ। অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা থাকা সত্বেও লোকবল সংকটের কারণে সময়ে সময়ে ভাটা পড়েছে কাজে। করোনা পরিস্থিতির কারণেও অনেকটা সময় নষ্ট হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২১টি কলেজের তালিকা থেকে শুধুমাত্র মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর কে বি কলেজ নামক একটি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পন্ন হলেও এখন পর্যন্ত তাঁরা সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে পারেননি।

সংকট থেকে উত্তরণের উপায় :
দ্রুত আত্তীকরণের ব্যবস্থা
চলমান সংকট নিরসনের জন্য সরকারিকৃত এসব কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত আত্তীকরণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে অ্যাডহক নিয়োগ দিতে পারলে ৯০ শতাংশ সমস্যা এমনিতেই সমাধান হয়ে যাবে। অ্যাডহক নিয়োগ সম্পন্ন হলে একদিকে যেমন শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি বেতন-ভাতা প্রাপ্ত হবেন অন্যদিকে তেমনি শিক্ষার্থীদের সরকারি নামমাত্র বেতনে পড়াশোনা করার আদেশ জারি হবে। এ ছাড়া শিক্ষকদের নিয়োগ সম্পন্নের পর নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে এবং নতুন করে এসব কলেজে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আর কোনো বাধা থাকবে না। এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিক্ষকদের আত্তীকরণের সাথে সম্পৃক্ত।

কর্মকর্তাগণের সদিচ্ছা থাকা আবশ্যক
শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত আত্তীকরণের কাজ সম্পন্নের ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার উপর নির্ভরশীল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ আন্তরিক না হলে দ্রুত আত্তীকরণ কখনও সম্ভব হবে না। উপজেলা ভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ উপহার। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ন এবং গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় এর সুফল পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি। তাই কর্মকর্তাগণকে এর গুরুত্ব বিবেচনা করে আত্তীকরণের কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা অতীব প্রয়োজন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরি
সর্বোপরি সরকারের এ মহতী উদ্যোগকে সমালোচনার বেড়াজাল থেকে বের করে আনতে এবং দ্রুত এর বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। গ্রাম-বাংলার আপামর জনসাধারণ যাতে এর সুফল পায় সেজন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজটি শেষ করার জন্য তাঁর নির্দেশনা জরুরি। অথবা তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাইয়ের তালিকা থেকে বৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের এখনই অ্যাডহক নিয়োগ সম্পন্নকরণ এবং শিক্ষার্থীদের সরকারি বেতনে পড়াশোনার অনুশাসন প্রদান করতে পারেন। এ সময় চলমান কাজ চলতে থাকবে এবং পরবর্তীতে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে তা বিদ্যমান নীতিমালা অনুসারে সমাধানযোগ্য হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুতই স