সভাপতির ঘুষিতে প্রধান শিক্ষকের ৩ দাঁত নাই

প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ণ, শুক্র, ৮ অক্টোবর ২১

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বগুডার নন্দীগ্রামে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ঘুষি দিয়ে সাজ্জাদুল ইসলাম দুদু (৫৫) নামে এক প্রধান শিক্ষকের তিনটি দাঁত ফেলে দিয়েছেন। তিনি তেতুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (৮ অক্টোবর) আহত শিক্ষককে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সাজ্জাদুল ইসলাম দুদুর স্ত্রী ও একই উপজেলার কোষাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তার বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং হয়। মিটিংয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামিম হোসেন লিটন চারজন শিক্ষক নিয়োগের বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয়ে নোটিশ খাতা ছিড়ে ফেলেন। তিনি মিটিং না করেই বিদ্যালয় থেকে চলে যান।
তিনি বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় আমার স্বামী ভরতেতুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম দুদু কুমিড়াপন্ডিত পুকুর বাজারে যান। ওই বাজারে কোষাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামিম হোসেন লিটনের কাপড়ের দোকান আছে। আমার স্বামী তার দোকানে গিয়ে নোটিশ খাতা ছিড়ে ফেলার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায় শামিম আমার স্বামীকে মারধর করে এবং মুখে ঘুষি দিলে তার সামনের তিনটি দাঁত পড়ে যায়। পরে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমার স্বামীকে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শামিম হোসেন লিটন বলেন, সাজ্জাদুল ইসলাম দুদুর সঙ্গে আমার হাতাহাতি হয়েছে। তিনি দোকান থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার সময় কলাপসিবল গেটে ধাক্কা লেগে দাঁত পড়ে যায়।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.