সপ্তম বৃহত্তম তথ্য ভান্ডার বাংলাদেশে

অনলাইন ডেস্ক।।

 সপ্তম বৃহত্তম জাতীয় ডাটা সেন্টার বা তথ্য ভান্ডার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বাংলাদেশে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি তথ্যভান্ডার। যেখানে সংরক্ষিত আছে কোটি কোটি মানুষের নানা রকম তথ্য। এসব তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ডাটা প্রটেকশন আইন করার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও এখানে তাদের তথ্য সংরক্ষণে আগ্রহী হবে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে গড়ে উঠেছে দেশের জাতীয় ডাটা সেন্টার বা তথ্যভাণ্ডার। ৭ একর জমির ওপর প্রায় এক হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা এ ডাটা সেন্টারটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৯ সালে। 
এটি ইতোমধ্যে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ধারণ ক্ষমতা, ডিজাইন, নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও গুণগত মান পরীক্ষা করে টিয়ার ফোর সনদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আপটাইম ইনস্টিটিউট। 

এই তথ্য ভান্ডারে রয়েছে কয়েক কোটি মানুষের তথ্য। জাতীয় পরিচয়পত্র  থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরের সব তথ্য এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ওরাকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জি-ক্লাউড স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হলে সরকারের সব তথ্য এখানে নিরাপদে সংরক্ষণ করা যাবে।

দুই পেটাবাইট থেকে শুরু করা এই ডাটা সেন্টারটির ধারণক্ষমতা এখন ২২ পেটাবাইট। প্রয়োজনে ২শ পেটাবাইট পর্যন্ত ডাটা সংরক্ষণ করা যাবে। বিদেশি ডাটা সেন্টারের ওপর নির্ভরতা কমে যাওয়ায় বছরে সরকারের সাশ্রয় হচ্ছে সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকা। 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ডাটা প্রটেকশন অ্যাক্ট নামে একটি আইন করার কাজ চলছে। এরফলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের তথ্যের নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত হবে।

এছাড়া যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার এন্ড টেকনোলজি পার্কে তিন স্তরবিশিষ্ট ডিজাস্টার রিকভারি ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।