রংপুর শ্যামলী আইডিয়াল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

আবুল হোসেন বাবলু:

নবম শ্রেণীর সাঁইত্রিশ জন শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ফর্মে বয়স সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন রংপুর বেসরকারি শ্যামলী আইডিয়াল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

জানাগেছে মঙ্গলবার সকালে রংপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শ্যামলী আইডিয়াল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট এ ভুলবসত ৬ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত বয়স বৃদ্ধি হওশায় তা ঠিক করার দাবিতে প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষের নিকট অভিযোগ জান্নাতে যেতে চাইলে প্রতিষ্ঠান কেটে তাদেরকে আটকে দেয়া হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষিকা গেটে এসে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেন যে, স্যার আজ ব্যস্ত আছেন আপনাদের সাথে পরে কথা বলবেন। এসময় উক্ত শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শ্যামলী আইডিয়াল এর গেটে বিক্ষোভ করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান এর অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার তিনি শিক্ষার্থীদের চড়-থাপ্পড় মারাসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভিতরে নিয়ে যায়। পরে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ২/৩ জন শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় দফায় চড়-থাপ্পড় মারেন অধ্যক্ষ। ওই সময় রাফাত হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী মোবাইলে ভিডিও করতে গেলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। তাদের যুক্তিসঙ্গত আন্দলনে বাধা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা ।
উল্লেখ্য যে মঙ্গলবার সকালে রংপুর আলমনগরে প্রতিষ্ঠানটির মাঠে তারা এ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ভুল বসত তাদের জন্ম সনদের বয়সের চেয়ে সাত-আট বছর বৃদ্ধি করে গত বছর নভেম্বর মাসে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম দেয়া হলেও তা এখনও সংশোধন করা হয়নি। শিক্ষার্থীরা বলছেন, সাঁইত্রিশজন শিক্ষার্থী এখনও এসএসসি পরীক্ষা না দিলেও রেজিস্ট্রেশন ফর্ম অনুযায়ি বর্তমানে তাদের বয়স বাইশ থেকে তেইশ বছর।

এ অবস্থায় ভবিষ্যত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান। দ্রুত বয়স সংশোধন করে জন্মসনদের বয়সের সঙ্গে মিল রাখার দাবি তাদের। তারা বলেন, বিষয়টি বার বার কর্তৃপক্ষকে বলার পরও এই এক বছরে কোন কাজ না হলে আন্দলনে নামতে বাধ্য হন শিক্ষার্থীরা।

আন্দলনের সময় মারধরসহ বকাবকি করা হয় বলে অভিযোগ তাদের। এ বিষয়ে শ্যামলী আইডিয়াল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এম এ আব্দুস সাত্তার বলেন, আন্দলনে বাধাদেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। তবে রেজিস্ট্রেশন ফর্মে বয়স ভুলের কথা স্বীকার করে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের মারধরের কথা অস্বীকার করে অধ্যক্ষ বলেন আমি রাগাম্বিত হয়ে উচ্চস্বরে কথা বলেছি তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে নিয়ে এসেছি আমি তাদের মারধর করি নাই।##