যশোর শিক্ষা বোর্ডে আড়াই কোটি টাকার চেক জালিয়াতি তদন্তে দুদক

প্রকাশিত: ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ, সোম, ১১ অক্টোবর ২১

অনলাইন ডেস্ক।।

চেক জালিয়াতির মাধ্যমে যশোর শিক্ষা বোর্ডের আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গতকাল বোর্ড কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দাখিল করার পর বোর্ডে তদন্ত অভিযান চালানো হয়েছে।

এর আগে সকাল ১০টায় দুদক যশোর কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ দাখিল করেন বোর্ডের সচিব এ এম এইচ আলী আর রেজা। এরপর বেলা ১২টার দিকে দুদক কর্মকর্তারা বোর্ডে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন। আলী আর রেজা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপাতত আমরা জানতে পেরেছি

বোর্ডের একজন জড়িত। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে। এর সঙ্গে হিসাব বিভাগের সহকারী আবদুস সালাম জড়িত। বাইরের দুটো প্রতিষ্ঠানও আছে। সেই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দুদকে জমা দিয়েছি। তারা বিষয়টি তদন্তের জন্য বোর্ডে যাবেন।’ যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন বলেন, ‘যাকে আমরা সন্দেহ করছি, গত ৭ তারিখ থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আজও সে অফিসে আসেনি। তবে গোপনে একজনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সে তৎপরতা চালাচ্ছে এবং ক্ষমা চাচ্ছে। যার মাধ্যমে সে যোগাযোগ করছে, তাকে বলেছি, আগে টাকা ফেরত দিক, ক্ষমার বিষয় পরে চিন্তা করব।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বল এখন আইনের হাতে।

তারা তদন্ত করবে এবং আদালতের মাধ্যমেই বিষয়টার সুরাহা হবে’। প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছরে যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য আয়কর ও ভ্যাট বাবদ মোট ১০ হাজার ৩৬ টাকার ৯টি চেক ইস্যু করে। এ ৯টি চেক সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। বরং চেকগুলোর বিপরীতে বোর্ডের বাইরের দুটি প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং এবং শাহী লাল স্টোরের নামে বোর্ডের অ্যাকাউন্ট থেকে গত এক বছর ধরে আড়াই কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সম্প্রতি বোর্ডের অভ্যন্তরীণ অডিটে বিষয়টি ধরা পড়লে অডিট টিম এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোর্ডের সচিবকে চিঠি দেয়। এরপর বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.