যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানকে নিয়ে মিথ্যাচার

প্রকাশিত: ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ, বুধ, ১৮ নভেম্বর ২০

অনলাইন ড‌েস্ক।।

ঢাকার শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনালে মামলা হওয়ায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের গত ১৬ নভেম্বরের কর্মচারিদের প্রতিনিধি নির্ধারণ (সিবিএ) নির্বাচন ঝুলে গেছে। আবার নতুন করে কবে ভোটের তারিখ নির্ধারণ হবে তা নিয়ে সাধারণ কর্মচারিরা চরম দুঃচিন্তার মধ্যে পড়ে গেছেন।

উৎসব আমেজের পরিবর্তে মামলার আতংকে দিন পার করছেন সবাই। শিক্ষবোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্য হুমায়ুন কবির উজ্জ্বলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত করার আদেশ দেন শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনাল।

একটি পক্ষ এ ঘটনার অপব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। জানা গেছে, খুলনার শ্রম অধিদপ্তর থেকে ১৬ নভেম্বর যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাবোর্ডের সাধারণ কর্মচারিদের প্রতিনিধি নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হয়। দুটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নেয়।

শিক্ষাবোর্ড কর্মচারি ইউনিয়নের (২১২১) প্রতিক ছিল দোয়াত কলম। শিক্ষাবোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (২১২৭) প্রতিক ছিল হরিণ। নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষাবোর্ডে সাধারণ কর্মচারিদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসব বিরাজ করছিল।

চারদিকে পোস্টার ও বিলবোর্ডে ছেঁয়ে গিয়েছিল। একজন সাধারণ কর্মচারির মামলার প্রেক্ষিতে ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সবার মধ্যে চাপা ক্ষোপ বিরাজ করছে।

বোর্ডের কর্মচারিদের যোগ্য নেতৃত্ব ধ্বংস করতে এই মামলাটি করা হয়েছে বলে কর্মচারিরা দাবি করেন। শিক্ষাবোর্ড কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, হুমায়ুন কবির উজ্জ্বলের মামলার কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেছে।

আপাতত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। নির্বাচন হলে তাদের বিজয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা ছিল না। নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা মামলা করে নির্বাচন স্থগিত করেছে। এরা কর্মচারিদের ভাল চায় না। যোগ্য নেতৃত্ব ধ্বংস করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কর্মচারিরা তাদের সব ধরণের অপকৌশল বুঝতে পরেছে।

আশা করা যায় যখনই ভোট হোক না কেন ওই কুচক্রি মহলকে কর্মচারিরা নেতৃত্বে আনবে না। শিক্ষাবোর্ড কর্মচারি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আল হাবিব বাপু বলেন, শিক্ষাবোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতা হুমায়ুন কবির উজ্জ্বল শ্রম আদালতে মামলা করে নির্বাচন স্থগিত করেছে। এ ঘটনার অপব্যাখ্যা দিয়ে তারা বিভিন্ন জায়গায় চেয়ারম্যান স্যারকে দোষারোপ করছে।

ভোটে বিজয় অর্জন করার মত সাহস তাদের নেই। তাই মামলার আশ্রয় নিয়েছে। কর্মচারিরা তাদের সব মতলব বুঝতে পেরেছে। যখনই নির্বাচন হোক না কেন তাদের ভোটে পাশ করার কোন সম্ভাবনা নেই। শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন বলেন, ১৬ নভেম্বর কর্মচারিদের ভোট গ্রহণের দিন ছিল।

১৫ নভেম্বের সব তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের সাথে আমি কথা বলেছি। আপনারা সবাই নিরপেক্ষভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচনকে ঘিরে কোন সমস্যা হলে জানাবেন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন স্থগিত হয়েছে মূলত মামলার কারণে। এখানে আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার বা অপব্যাখ্যা করার মত কোন বিষয়ই নেই।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.