মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণে” বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছে“ বাংলাদেশ শিক্ষকসমিতি (বিটিএ)”

প্রকাশিত: ৫:১৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গল, ১ জুন ২১

 প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আজ  মঙ্গলবার ২০২১ সকাল ১১টায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৭/৫-খ, তোপখানা রোড, ঢাকায় সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ বজলুর রহমান মিয়া’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ কাওছার আহমেদ এর সঞ্চালনায় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ শিক্ষক সংগঠন‘বাংলাদেশ শিক্ষকসমিতি (বিটিএ)”এর এক সভা অনুষ্ঠিতহয়। সভায়  অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির অন্যতম উপদেষ্ঠা বাবু রঞ্জিত কুমার সাহা, সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কাশেম, সহসভাপতি আলী আসগর হাওলাদার, বেগম নূরুন্নাহার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জামিল মোঃ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা ও অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত রেখে শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানকে প্রকারান্তরে অস্বীকার করা হচ্ছে। সভায় পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাড়ী ভাড়া, চিকিৎসাভাতা ইত্যাদি প্রদাননা করা এবং কোন রূপ সুযোগ-সুবিধা না বাড়িয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তন করায় গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর যুদ্ধবিধস্ত অবস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাজাতীয়করণ করেছিলেন এবং একই ভাবে বঙ্গবন্ধু তনায়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন।

তাই শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান সকল বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবী। এ দাবীর প্রতি ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবকসহ এদেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের অকুন্ঠ সমর্থন রয়েছে। কারণ প্রাথমিক স্তর শেষ করার পর শিক্ষার্থীদের অনেকেই আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে লেখা-পড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সুবিধাবঞ্চিত এসকল শিক্ষার্থীরা  নানা মূখি অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় টেকসই উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। তাই টেকসই উন্নয়নসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এবং মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করতে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না করে একযোগে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের জোরদাবী জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যেহেতু মূল বেতনের ১০০% এবং অন্যান্য সকল সুবিধাদির আংশিক প্রদানসহ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করেন। সেহেতু প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হলে সরকারের খুব বেশি অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না। তাই সরকার ঘোষিত জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ বাস্তবায়নের করতে হলে অগ্রাধিকারভিত্তিতে“ মুজিববর্ষে” ই মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্দ রাখার জোর দাবী জানান।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.