ব্যাংক কর্মকর্তা ডেইজির ‘ভুয়া পিএইচডি’

নিউজ ডেস্ক।।

বিষয়ে তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করলেও তার দাবি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে তিনি এই পিএইচডি করেছেন। তবে স্বপক্ষে কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করার পর ডেইজি সামনাসামনি কথা বলবেন বলে জানান।

এদিকে অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেইজির পিএইচডির বিষয় অনুসন্ধান করার পর একই বিষয়ে অন্য একজনের গবেষণাকর্মের সঙ্গে প্রায় ৮৫ ভাগ হুবহু মিলে যায়, যা তার চৌর্যবৃত্তির মনোভাবকে প্রমাণ করে। এ প্রেক্ষাপটে চলতি সপ্তাহের মধ্যে ডেইজির ‘ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রিকে’ চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অভিযোগ দায়ের করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ড. সুফী সাগর শামস।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম কামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তদন্তের মাধ্যমে তার জালিয়াতি প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সিনিয়র কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোনো প্রকার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া ডাবল প্রমোশন দিয়ে একটি ব্যাংকের হেড অব এইচআর (মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান) করা হাস্যকর এবং গুরুতর অনিয়ম বলে মনে করি। বিষয়টি ইতোমধ্যে কয়েকটি গণমাধ্যমে দেখেছি এবং লিখিত অভিযোগ পেলে সাউথইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা তলব করা হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডেইজি নিলুফার শারমিনকে একাধিকবার কল এবং ক্ষুদে বার্তা দিয়েও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।