বেসরকারি পলিটেকনিকে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে

প্রকাশিত: ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ৭ সেপ্টেম্বর ২১

প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন।।

বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেছেন, দেশে বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ও প্রায় ৫০০ বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি এসব পলিটেকনিকের সিংহভাগেই শিক্ষার মান অত্যন্ত নাজুক। হাতে গোনা কয়েকটি বেসরকারি পলিটেকনিকে শিক্ষার মান যথাযথ থাকলেও বেশির ভাগের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে। শিক্ষার মান নিশ্চিত না করে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও এর সুফল মিলবে না।

 তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যক্ষ রুহুল আমিন বলেন, কর্মমুখী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুবিধা হচ্ছে এ ধারার শিক্ষায় শিক্ষিত হলে দেশে-বিদেশে শিল্প, কলকারখানা ছাড়াও সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রায় সব ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া চাকরি না করে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ এ ধারার শিক্ষায় বেশি থাকে। কারিগরিতে শিক্ষিত হয়ে কেউ বেকার বসে থাকে না।

কিন্তু বৃহৎসংখ্যক মানুষ এখনো কারিগরি শিক্ষার সুবিধা সম্পর্কে সচেতন নয়। কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার নানা পদক্ষেপ নেওয়ায় এখন ক্রমেই এ ধারণার পরিবর্তন হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের ধারাবাহিক নানা পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে প্রায় ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে বলে তিনি জানান। প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, পলিটেকনিকে শিক্ষকের সংকট রয়েছে। শিক্ষক-স্বল্পতার সমাধান করে শিক্ষার মান বাড়াতে কাজ করতে হবে। কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও গবেষণায় ল্যাবের জন্য অনুদান আরও বাড়াতে হবে।

এ ধারার শিক্ষকদের দেশে-বিদেশে প্রয়োজনীয় উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে এর সুফল মিলবে। তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষাধারার ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন পদে সাধারণ শিক্ষাধারা থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব পদে কারিগরিতে শিক্ষিতদের নিয়োগ দিলে আরও অধিকতর দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কারিগরি ধারার শিক্ষায় প্রতি পাঁচ বছর পর কারিকুলাম হালনাগাদ করা হয় জানিয়ে রুহুল আমিন বলেন, যুগোপযোগী বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত কারিকুলামে যোগ করতে হবে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.