বেশি লালকার্ড কার? মেসি না রোনালদো?

প্রকাশিত: ৬:২৬ অপরাহ্ণ, সোম, ১৮ জানুয়ারি ২১

অনলাইন ডেস্ক ||

লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, দু’জনই বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা। তাদের মধ্যে কে সেরা, এ নিয়ে বিতর্ক চলে আসছে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। তবে নানা বিচার বিশ্লেষণে এর কোনও উত্তর আজও কেউ দিতে পারেনি।
পারফম্যান্স বিচারে বিভিন্ন পরিসংখ্যান যেমন- গোল, ব্যালন ডি’অর কিংবা ট্রফির হিসেব করেও দেখা যায় একজন আরেকজনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।
তবে একটা ক্ষেত্রে দু’জনের পার্থক্যটা আকাশ সমান। ছোট্ট একটা তথ্যে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। মাঠে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের দায়ে ক্যারিয়ারে যে কয়বার লালকার্ড দেখেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, তার তিন ভাগের এক ভাগও দেখতে হয়নি মেসিকে! স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে মেসিকে।
১৭ বছরের ক্লাব ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এমন অভিজ্ঞতা হল আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বার্সার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৭৫৩তম ম্যাচটি খেলেছেন মেসি, আগে কখনওই লালকার্ড দেখতে হয়নি তাকে। এর আগে ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণীতে চিলির বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ‘বিতর্কিত’ লালকার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। যেটি নিয়ে পরবর্তীতে বেশ সমালোচনাও শুরু হয়।

১৪ বছর পর সেদিন লাল কার্ড দেখতে হয় মেসিকে। এর আগে আর একবারই লালকার্ড দেখতে হয়েছিল আর্জেন্টাইন তারকাকে। মজার ব্যাপার, ২০০৫ সালে সেটি ছিল তার অভিষেক ম্যাচ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে প্রথমবারের মতো মাঠে নামার মাত্র ২ মিনিটের মাথায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ক্ষুদে জাদুকরকে। এরপর এই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এবারসহ মোট ৩ বার তাকে লালকার্ড দেখাতে পেরেছেন রেফারি।
অপরদিকে তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখানে বেশ এগিয়ে। ২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে ১ম লালকার্ড দেখতে হয় পর্তুগিজ তারকাকে।
এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর রিয়াল মাদ্রিদ হয়ে জুভেন্টাস, তিন দেশের তিন ক্লাবের জার্সিতেই লালকার্ড দেখতে হয়েছে তাকে। সবমিলিয়ে সংখ্যাটা কম নয়, ১১ বার!
তবে এখন পর্যন্ত দেশের জার্সিতে কখনো লালকার্ড দেখতে হয়নি রোনালদোকে। লালকার্ডের পরিসংখ্যানে মেসি বনাম রোনালদো- লিওনেল মেসির লালকার্ডের সংখ্যা ৩টি, সরাসরি লালকার্ডের সংখ্যা ৩টি। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর লালকার্ডের সংখ্যা ১১টি, সরাসরি লালকার্ডের সংখ্যা ৭টি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.