বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫ জনকে নিয়োগের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পৃথক চার বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত পাঁচ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে ওই পাঁচ জনের নিয়োগের পথ সুগম হলো।

পৃথক ৫টি রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

রিটকারী চাকরিপ্রার্থীরা হলেন- ৩৩তম বিসিএসের মো. সাফায়েত হোসেন, ৩৪তম বিসিএসের শাহিন সুলতানা, ৩৫তম বিসিএসের মো. আরিফুজ্জামান এবং ৩৯তম বিসিএসের মো. সাইফুল আলম ও মেহেরিন আক্তার সারওয়ার। এই পাঁচজনকে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে নিয়োগের নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছেন আদালত।

রায়ের কপি পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

রায়ের পর রিটকারীদের আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বিগত ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৩তম বিসিএস, ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএস, ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএস এবং ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল ৩৯তম বিসিএসে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। রিটকারীরা সংশ্লিষ্ট বিসিএসে আবেদন করেন এবং যথারীতি লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তাদের নিয়োগের সুপারিশ করে।

তবে এরপর ৩৩তম বিসিএসে একজন রিটকারীসহ ১৫৬ জন নিয়োগ বঞ্চিত হন। ৩৪তম বিসিএসে ৪৬ জন নিয়োগ বঞ্চিত হন। ৩৫তম বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিত হন ৪০ জন। এছাড়া ৩৯তম বিসিএসে ৭২ জন নিয়োগ বঞ্চিত হন। বারবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেও তাদেরকে নিয়োগ না দেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারিক করেন হাইকোর্ট। আগের জারি করা ওই রুলের পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ এই রায় দেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, আজ এ রায়ের ফলে রিটকারীরা ন্যায় বিচার পেয়েছেন। একই সাথে তাদের নিয়োগের পথ সুগম হলো।