বিভিন্ন সমাধানে ফিটকিরির ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক।।

অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। এ কারণে অনেকেই বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারেন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে ফিটকিরি। ফিটকিরি শুধু পানি পরিশোধন করে এমন নয়। এটি জীবাণু ধ্বংস করে আপনার মুখকে দুর্গন্ধ মুক্ত করে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে : ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ফলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। তাতে ফিটকিরি গুঁড়ো করে দিয়ে দিন। পানি ঠান্ডা হলে একটি বোতলে ভরে রাখুন। নিয়মিত এই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

ঘা শুকোতে সাহায্য করে : জীবাণু আক্রমণের ফলে অনেকের মুখের ভিতরে ঘা হয়। নিয়মিত ফিটকিরি মিশ্রিত পানি দিয়ে কুলি করলে ঘা দ্রুত শুকিয়ে যাবে। হলে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এ ক্ষেত্রে ফিটকিরি দিয়েই হতে পারে মুশকিল আসান। একটু জ্বালা করলেও ঘা শুকিয়ে যাবে অল্প সময়েই।

ত্বকের ক্ষত কমাতে : দাড়ি কাটতে গিয়ে অনেক সময় আচমকা ত্বকে ক্ষত হয়ে যায়। কিংবা রান্নাঘরে কাজ করতে করতে হাত কেটে যায়। এ ক্ষেত্রে ফিটকিরি লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকবে না।

ব্রণের সমস্যা দূর করতে : গরমের দিনে ব্রণের সমস্যায় পড়েন অনেকে। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু’চামচ ডিমের সাদা অংশ এবং এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। ব্রণর সমস্যা বাড়লে এটা মুখে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণর লালচে ভাব বা ফোলা ভাব কমবে, ব্যথাও কমে যাবে। তবে সংবেদনশীল ত্বক হলে এটি ব্যবহার না করাই ভাল।

বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতে : ৪০ পেরোলেই ত্বকে বয়েসের ছাপ পড়তে শুরু করে। এ ক্ষেত্রে পানিতে ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে ফ্রিজে বরফ বানিয়ে নিন। প্রত্যেকদিন এই বরফ মুখে ঘষে নিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দীর্ঘ দিন নিয়মিত এই টোটকা মেনে চললে ত্বক মসৃণ ও টানটান হবে।

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে : ঘাম নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতেও দারুণ কাজ করে ফিটকিরি। পানিতে ফিটকিরির গুঁড়ো মিশিয়ে গোসল করলে ঘামে দুর্গন্ধ হয় না।