বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ১১ জন

ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা আমতলি গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুল্লাহিল মজিব ওরফে নিশান। তিনি বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে ১৫ জন জেলে নিয়ে তাঁর একটি ট্রলার পটুয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। পরে পাশে থাকা একটি ট্রলার চার জেলেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তাঁরা উদ্ধার করা জেলেদের পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর নিয়ে যান। উদ্ধার হওয়া জেলেরা মঙ্গলবার বিকেলে মুঠোফোনে দুর্ঘটনার বিষয়টি তাঁকে জানান।

লুৎফুল্লাহিল মজিব আরও বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনাটি তিনি কোস্টগার্ডের সদর দপ্তর ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া কোস্টগার্ডকে জানিয়েছেন। তারা নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলার ও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে চেষ্টা করা যাচ্ছে না। নিখোঁজ জেলেদের আটজনের বাড়ি হাতিয়ার বয়ারচরে।

নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে একজন মো. সোহেল (২২)। তিনি উপজেলার জাহাজমারা আমতলী গ্রামের মো. এনায়েত মাঝির ছেলে। তাঁর ভাই মো. রাসেল মঙ্গলবার রাত আটটায় প্রথম আলোকে বলেন, জীবিত উদ্ধার হওয়া চারজনের মধ্যে একজন ট্রলারের সারেং মো. শামীম (৪৫)। তিনি শামীমের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, ট্রলারে তাঁর ভাইসহ ১৫ জন জেলে ছিলেন। এর মধ্যে সারেংসহ চারজন জীবিত উদ্ধার হয়েছেন। বাকি ১১ জন নিখোঁজ আছেন। সোহেল আরও বলেন, তাঁরা দুর্ঘটনার বিষয়টি ভোলার মনপুরা কোস্টগার্ডকে জানিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলীঘাট থেকে এক সপ্তাহ আগে ১৬ জেলে সাগরে মাছ ধরতে যান। ট্রলারে থাকা বেশির ভাগ জেলেই হাতিয়ার জাহাজমারা ও আশপাশের ইউনিয়নের বাসিন্দা।