প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর সুপারিশ

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিার সুযোগ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে ‘নিম্ন আয়ের দেশগুলিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ইংরেজি ও প্রযুক্তি অবশ্যই মৌলিক শিক্ষার অংশ হতে হবে। আর প্রযুক্তির খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক থাকতে এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকারক প্রভাব মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে যুক্তরাজ্যের দ্য ওপেন ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি পরিচালিত ওই গবেষণায় অংশ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মোনাশ ইউনিভার্সিটি (অষ্ট্রেলিয়া), আহফাদ ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (সুদান), সেনেগাল ইউনিভার্সিটি এবং ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় (নেপাল)। ওই গবেষণা উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা, প্রযুক্তি, লিঙ্গ এবং প্রান্তিকতা বাড়াতে বা কমানোার ক্ষেত্রে ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষার ভূমিকা পরিমাপ করা। একইসঙ্গে ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে সুপারিশ তুলে ধরা। গবেষণায় ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছাত্ররা এবং তাদের শিক্ষক ও পিতামাতারা অংশগ্রহণ করেন।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ইংরেজি শিায় সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির শিশুদের প্রবেশাধিকার নেই। প্রযুক্তি শিায়ও তারা বঞ্চনার শিকার। আবার প্রযুক্তি শিক্ষা ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অনেক পিছিয়ে। যা তাদের কর্মসংস্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় বাধা। এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য গবেষণা প্রতিবেদনে আগামীতে সকল শিশুর জন্য ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিক্ষা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এজন্য ছাত্র-শিক্ষক-অবিভাবক ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গবেষণা কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক ও বাংলাদেশ ইংরেজি ভাষা শিক সমিতির (বেল্টা) সভাপতি ড. রুবিনা খান। তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠির শিশুদের ইংরেজি ও প্রযুক্তি শিার সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ, নেপাল, সেনেগাল ও সুদানে গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় ওই চারটি দেশের শিার্থী, তাদের শিক ও পিতা-মাতার শিা-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতাকে তুলে আনা হয়েছে। যাতে দারিদ্র ও প্রান্তিকীকরণ বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা ও প্রযুক্তি শিক্ষা ভূমিকা নিরূপন করা যায়। গবেষণার সুপারিশ কার্যকর করা গেলে শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।