প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার

জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আলোচিত ঘটনাটির পর সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের বেশ টনক নড়েছে। প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছোট রুমগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মূল অফিসরুমের সঙ্গে লাগোয়া ছোটরুমে অনেক সময়ে খাট রাখা হয়। অনেক সময় সেখানে টেবিল চেয়ারও থাকে যাতে সেখানে উর্ধ্বতন আমলারা সেখানে বিশ্রাম নিতে পারে বা দুপুরের আহার করতে পারে।

কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সরকারি অফিস কাজের জায়গা, সেটি বিশ্রাম করার জায়গা নয়। বিশ্রাম করার জন্য কর্মকর্তাদের বাসস্থান রয়েছে। এই সরকারি অফিসগুলোতে কোনোরকম বিশ্রামকক্ষ বা ছোটকক্ষ থাকার প্রয়োজন নেই।

জেলা প্রশাসকদের অফিস কক্ষগুলোতে লাগোয়া এরকম ছোট কক্ষ রয়েছে এবং অধিকাংশ অফিসের এই ছোটকক্ষে খাট পাতা থাকে। অনেকে সেখানে বিশ্রাম নেন, অনেকে সেখানে দুপুরে খাওয়াদাওয়াও করেন। এই ছোটকক্ষের এরকম অনেক অপব্যবহারের কথা এর আগেও জনপ্রশাসন এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে এসেছিল। এজন্যই সরকার এখন চূড়ান্তভাবে অনতিবিলম্বে সার্কুলার জারি করছে যেখানে এইসব বিশ্রামকক্ষগুলো বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ছাড়াও সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে এরকম ছোটকক্ষ রয়েছে। তবে সাধারণত সচিব, সিনিয়র সচিবদের অফিসে বিশ্রামক্ষটি অপেক্ষাকৃত বড়। শুধু সচিবদের নয়, মন্ত্রীদেরও এরকম ছোটকক্ষ রয়েছে। এই কক্ষগুলো অনতিবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।