‘পরীক্ষার রুটিন দিন, নয়তো মুখে বিষ দিন’

প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ২৬ জানুয়ারি ২১

নিউজ ডেস্ক:

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার দাবিতে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এসব ব্যানার ও ফেস্টুনে লেখা ছিল- ‘পরীক্ষা চাই রুটিন দিন, নয়তো মুখে বিষ দিন’, ‘দাবি মোদের একটাই, অতিদ্রুত পরীক্ষা চাই’, ‘পরীক্ষা চাই পরীক্ষা নিন, জট হতে মুক্তি দিন’।

সোমবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে একত্রিত হয় শিক্ষার্থীরা। সেখানে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা না নিলে আগামী ৭ দিন পর লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেয়। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে এ অবস্থান কর্মসূচি।

জামিল মুরাদ নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, তুলনামূলকভাবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি প্রথম বর্ষ থেকে শুরু করে শেষবর্ষ পর্যন্ত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করতে পারে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কেন পারবে না? আমাদের ১৭ ব্যাচের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। তারপরও আমাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

ইমরান হোসেন আকাশ নামের আরেক শিক্ষার্থী জানায়, অনেকবার প্রশাসনের কাছে গিয়েও কোনো সিদ্ধান্ত না পেয়ে আমরা হতাশ। শেষবারের মতো কথা বলে আসছি, আমাদের ১৭ ব্যাচের পরীক্ষা না নিয়ে যাতে অন্য কোনো ব্যাচের পরীক্ষা নেওয়া হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। সেশন জটে আমরা জর্জরিত। পূর্বে স্মারকলিপি দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

পরীক্ষার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরাও চাই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে যাক কিন্তু ইউজিসি কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত ছাড়া পরীক্ষা নেওয়া কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়। করোনাকালীন নতুন ভিসি না আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান।

৭ দিনের আলটিমেটাম বিষয়ে তিনি আরও জানান, এটি আমাদের এখতিয়ারের বাইরে। আন্দোলন করলেও আমাদের একাডেমির কাউন্সিল ছাড়া পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছিল ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।সূত্র:যুগান্তর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.