নোবিপ্রবিতে ক্লাস নিলেন তুরস্কের অধ্যাপক সুলেমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবিতে) ক্লাস নিলেন তুরস্কের পামাক্কেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সুলেমান বারুটুকু। ইউরাপীয় ইউনিয়নের ইরাসমাস ‘স্টাফ এক্সচেঞ্জে’র অধীনে ১২ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ‘টিচিং মোবিলিটি সপ্তাহ-২০২২’-এ অংশগ্রহণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে (১৩ ও ১৪ জুন) দুই দিন ব্যাপী ক্লাস নেন এই অধ্যাপক।

এ সময় ড. সুলেমান নোবিপ্রবিত তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের সংস্কৃতি উপস্থাপন করেন এবং একাধিক ক্লাস ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি একাডেমিক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম, আন্ত:সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, আলোচনা, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করেন। উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার আশ্বাসসহ শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করেন। আশা করা যাচ্ছে প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ বছর ইরাসমাস ‘স্টাফ এক্সচেঞ্জে’র অধীনে নোবিপ্রবি থেকে তিনজন অধ্যাপক অংশগ্রহণ করেন। এতে ব্যাক্তিগত কোলাবরেশন এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবরেশন মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ তুরস্কে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টিচিং মোবিলিটি সপ্তাহ-২০২২’-এ অংশগ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তুরস্ক পামাক্কেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সুলেমান বারুটুকু ‘টিচিং মোবিলিটি সপ্তাহ-২০২২’-এ নোবিপ্রবিতে আগমন করেন।

উল্লেখ্য, নোবিপ্রবির ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশান ও কো-অপারশেন সেন্টার (আইসিসিসি)-এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তুরস্ক ইরাসমাসের মাধ্যমে ফুল ফান্ডেড সাপোর্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, জাপানসহ উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সফলভাবে শিক্ষার্থী বিনিময়ের মত কার্যক্রম সম্পন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামীতে প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তাগণ এশিয়া-ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন অংশীদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে ছাত্র ও কর্মীদের বিনিময় করবে, যা নোবিপ্রবিকে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক শিক্ষায় অগ্রগামী করবে।