১৬ নার্সিং ইনস্টিটিউটকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে উন্নীত করা হলো

প্রকাশিত: ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ, শুক্র, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২১

নিউজ ডেস্কঃ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের আওতাধীন আরও ১৬টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে উন্নীতকরণের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নার্সিং শিক্ষা শাখার উপসচিব ইসরাত জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত নার্সিং সেক্টরকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরেক ধাপ অগ্রগতি হলো।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে উন্নীতকরণের অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ফরিদপুর, খুলনা, বগুড়া, দিনাজপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, যশোর, টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, ফেনী, ভোলা, গোপালগঞ্জ, নীলফামারী, জামালপুর ও হবিগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউট। এর আগে ১৮টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে উন্নীত করা হয়। এরমধ্যে ৯টিতে এমএসসি কোর্স চালু হয়েছে। সারা দেশে মোট ৪৪টি সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট রয়েছে।

বিএমএ-স্বাচিপ নেতৃবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা ১৬টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে কলেজে উন্নীতকরণকে যুগোপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্ত আখ্যায়িত করে বলেন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়া মোটেও ঠিক হবে না। ছয় মাসের কোর্সধারীরা কীভাবে নার্সিং সেবা দিবেন? নিপসম থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি ডাক্তার ও নার্সরা এক সঙ্গে অর্জন করছেন। এছাড়া দেশবিদেশ থেকে পিএইচডিসহ নানা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিচ্ছেন। এমপিএইচ ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী নার্স রয়েছেন সহস্রাধিক। এদের মধ্যে ছয় মাসের ট্রেনিংধারীদের কোনো তুলনা হয় না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নার্সদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিয়ে যেতে সার্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এমন অবস্থার মধ্যে পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্সিং নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হলে তা হবে আত্মঘাতী।

ডাক্তার ও নার্সিং সংগঠনের কয়েকজন নেতা বলেন, পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের নার্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে রোগী মারার সেবা দিবে তারা। নার্সিং সেক্টরের একটি অপচক্র বিপুল উেকাচের বিনিময়ে কারিগরি বোর্ডের তথাকথিত পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজিস্টদের ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সকে অন্তর্ভুক্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.