নবম-দশম শ্রেণির পড়াশোনা

প্রকাশিত: ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ, সোম, ২৩ নভেম্বর ২০

মো. আসমাউল বিশ্বাস, প্রভাষক

পরমানু শক্তি গবেষণা

প্রতিষ্ঠান স্কুল এন্ড কলেজ. ঢাকা

জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

পদার্থের অবস্থা

Ìকার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO2) ও নাইট্রোজেন (N2) এর ব্যাপনের তুলনাঃ বস্তুর ব্যাপন ভর ও ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। ভর বাড়লে ব্যাপন কমে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের আণবিক ভর হল=44. এবং নাইট্রোজেন এর আণবিক ভর= 28.

কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেনের আণবিক ভর থেকে দেখা যায় নাইট্রোজেনের আণবিক ভর কম তাই কার্বন-ডাই-অক্সাইড অপেক্ষা নাইট্রোজেনের ব্যাপনের হার বেশি।

Ìবরফ গলতে থাকলে তাপমাত্রার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণঃ আমরা জানি পদার্থের উপর তাপ প্রয়োগ করলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বরফ গলনের সময় তাপ প্রয়োগ করলেও তাপমাত্রার কোন বৃদ্ধি হয় না। কারণ প্রয়োগকৃত তাপ পদার্থের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহূত হয়। বরফ গলনাংকে এসে সুপ্ততাপ গ্রহণ হতে কঠিন হতে তরলের পরিণত হয়।

তাই তাপ প্রয়োগ করলেও বরফ গলনের সময় তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হয় না।

Ì গ্যাসীয় পদার্থের গলনাংক ও স্ফুটনাংক নিম্নমানেরঃ গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক দূরত্ব বেশি থাকে। আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল কম থাকে। তাই এদেরকে গলাতে অথবা স্ফুটন ঘটাতে কম পরিমাণ তাপশক্তির প্রয়োজন হবে।

তাই গ্যাসীয় পদার্থের গলনাংক ও স্ফুটনাংক কম।

ব্যাপন ও নিঃসরণের ক্ষতিকর দিক

Ìব্যাপনের ফলে দুর্গন্ধ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।

Ìকলকারখানার বিষাক্ত গ্যাস ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পরিবেশের ক্ষতি করেছে।

Ì কলকারখানার দূষিত পানি ব্যাপন প্রক্রিয়ায় নদীর পানিকে দূষিত করেছে।

Ì সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্যাস দ্রুত ছড়িয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।

Ì নিউক্লিয়ার চুল্লিতে গ্যাস নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

Ì তাপপ্রয়োগে পদার্থের অণুসমূহের গতিশক্তি বৃদ্ধিঃ তাপ প্রয়োগে পদার্থের অণুসমূহ তাপশক্তি গ্রহণ করে। এই শক্তি গ্রহণ করে পদার্থের কণা পূর্বের থেকে বেশি গতিশীল হয় । এতে কণা বেশি গতিশক্তি অর্জন করে। তাই তাপপ্রয়োগে পদার্থের অণুসমূহের গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

Ì পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস বলতে বোঝায়ঃ স্বাভাবিক চাপে পানিকে তাপ দিলে পানি ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে বাষ্পীয় অবস্থায় পরিণত হবে।

শিক্ষবার্তা/এসজেড

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.