নতুন শিক্ষায় অপ্রস্তুত শিক্ষক

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম– তিনটি শ্রেণিতে এবার নতুন শিক্ষাক্রমের যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখনো রয়ে গেছেন প্রশিক্ষণের বাইরে। তারা নিজেদের মতো করে নতুন শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন বিষয় পড়াচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। এদিকে, ‘নামকাওয়াস্তে’ অনলাইন প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর সরাসরি প্রশিক্ষণ নিয়েও কথা তুলেছেন শিক্ষকরা। প্রশিক্ষণ সময়ের স্বল্পতা, ক্ষেত্রবিশেষে মাস্টার ট্রেইনারদের দুর্বলতা, সমন্বয়নহীনতাসহ বেশকিছু অভিযোগ শিক্ষকদের।

সূত্র জানিয়েছে, স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অর্থের জোগান না হওয়ায় ২৬ ডিসেম্বর এই প্রশিক্ষণ শুরু করার কথা বলা হয়েছিল। সেটাও সম্ভব হয়নি। অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অনলাইনে সারা দেশের মাধ্যমিক স্তরের প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের প্রশিক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল মাউশি। সে অনুযায়ী ২৭ ডিসেম্বর অনলাইনে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এনসিটিবির দাবি, অনলাইন প্রশিক্ষণে সাড়ে তিন লাখের বেশি শিক্ষক যুক্ত হয়েছেন। তবে, মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। সময়সূচি না জানায় অনেকেই প্রশিক্ষণে যুক্ত হতে পারেননি। আবার ইন্টারনেটের ধীরগতিসহ বিভিন্ন কারণে অনেক শিক্ষক অনলাইন প্রশিক্ষণে যুক্ত হননি।

সাভারের টাঙ্গাইল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ বলেন, অনলাইন প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সব শিক্ষক অংশগ্রহণ করেননি। আবার যারা অংশ নিয়েছেন, তারাও মনোযোগী ছিলেন না। কারণ, একমুখী প্রশিক্ষণ ছিল। প্রশ্ন করে জানার সুযোগ ছিল না।

জানা গেছে, অনলাইন প্রশিক্ষণ শেষে গত ৬ জানুয়ারি শুরু হয়েছে সরাসরি প্রশিক্ষণ। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫ কার্যদিবস চলবে এই প্রশিক্ষণ। এরপর শুরু হবে প্রধান শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য কালবেলাকে বলেন, থানা ও উপজেলা মিলিয়ে ৪৩৩টি উপজেলায় শিক্ষক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ৫২২টি ব্যাচে। এতে ২ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষক একসঙ্গে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাদের প্রশিক্ষণ সেন্টার করা হয়েছে নিজেদের উপজেলা বা পার্শ্ববর্তী উপজেলায়। আমাদের মাস্টার ট্রেইনার ১৬ হাজার ৪০০ জন। ঢাকা থেকে প্রতি জেলার অন্তত ৩৩ জন করে মাস্টার ট্রেইনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা উপজেলাগুলোতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

প্রধান শিক্ষকদের আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর আগে ১৫ জানুয়ারি এক দফা শিক্ষক প্রশিক্ষণ শেষে ২০ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় শিক্ষক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সরকারি, এমপিওভুক্ত, বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মানে প্যাটার্নভুক্ত কোনো শিক্ষক বাদ পড়লে তালিকা করে তাদের পরবর্তী সময়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এদিকে, অনলাইনে নামকাওয়াস্তে প্রশিক্ষণের পর সরাসরি প্রশিক্ষণেও ঘাটতি দেখছেন শিক্ষকরা। তাদের মতে, এই প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তি কম। প্রশিক্ষণের পর পাঠদানের সময় কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে তার সমাধান কীভাবে করা যাবে সে বিষয়ে তারা সুস্পষ্ট ধারণা পাননি। আবার মাস্টার ট্রেইনারদের নিয়েও কথা তুলেছেন প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তি কম হয়ে গেছে। আবার শুক্র-শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকে আসতে চান না। উপজেলার মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণও সন্তোষজনক লাগছে না। অনেক বিষয়েই তারা সদুত্তর দিতে পারছেন না।

অতিরিক্ত তাড়াহুড়া করে প্রশিক্ষণের ধাপগুলো শেষ করানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাত্র পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে হবে শিক্ষকদের, শিক্ষকরাই ছাত্রছাত্রীদের সরাসরি ক্লাস নেবেন। তাই সেখানে তাড়াহুড়া করলে সবকিছুই ভেস্তে যাবে।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের স্কুল শিক্ষক রবিউল করিম বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকের কোনো কাজ নেই’ বলে মাস্টার ট্রেইনাররা প্রশিক্ষণার্থীদের দিয়ে প্রজেক্টরের স্কিনের স্লাইড পাঠ করতে দিচ্ছে এবং বর্ণনা করতে বলছে। প্রশিক্ষণার্থী কোনো ভুল করলে তা অন্যদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। বলা হচ্ছে, কোনো নেগেটিভ প্রশ্ন করা যাবে না। আপনারা যা বলছেন তা সবকিছুই সঠিক। কোনো ভুল নেই।

তবে প্রশিক্ষণে ঘাটতির বিষয়টি মানতে নারাজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। মাউশি পরিচালক অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, চলমান প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর শিক্ষকরা ক্লাসে যাবেন। এমনও হতে পারে, এই প্রশিক্ষণ শেষে আরেকটা পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে পারে আগামী এপ্রিল-মে বা জুলাই-আগস্টের দিকে। কাজেই প্রশিক্ষণ কম হওয়ার কথা নয়।

এখনো প্রশিক্ষণের বাইরে অনেক শিক্ষক: কিছু প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত শিক্ষক মাউশির প্রশিক্ষণ পেলেও অনেক শিক্ষক এখনো প্রশিক্ষণের বাইরে। আবার একই প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে একসঙ্গে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে না।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪৪ জন শিক্ষক আছেন। এর মধ্যে মাত্র চারজন শিক্ষকের নাম এসেছে প্রশিক্ষণের তালিকায়। আমরা প্রশিক্ষণ না পেলেও পুরোনো অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু সম্ভব শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি।

সিরাজগঞ্জের চৌহালি উপজেলায় খাষধলাই আর আর কে দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিন জানান, তারা এখনো নতুন কারিকুলামের সরাসরি প্রশিক্ষণ পাননি। এমনকি প্রশিক্ষণের জন্য কোনো কেন্দ্রও এখনো বসানো হয়নি।

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বেতন বাড়ানোর দাবি শিক্ষকদের: নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে বেতন-ভাতায় অসন্তোষ দূর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষকরা। ফরিদপুরের একটি হাই স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশ না করে বলেন, অধিকাংশ এমপিওভুক্ত শিক্ষকই উপজেলা বা গ্রামে চাকরি করছেন। যাদের নামমাত্র বেতন ছাড়া স্কুল থেকে অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। পরিবার চালাতে তারা বাধ্য হয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশন বা ব্যাচে পড়ান। নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা তুলে দেওয়া মানে তাদের ব্যাচ বা টিউশন বন্ধ হয়ে যাওয়া। নতুন কারিকুলামে দায়িত্ব বেশি শিক্ষকদের; কিন্তু তাদের নামমাত্র বেতন দিয়ে কীভাবে কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে– সেটা বোধগম্য নয়।

প্রশিক্ষণের বাইরে প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক: মাধ্যমিকের শিক্ষকদের অনলাইন ও সরাসরি প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হলেও প্রাথমিকের শিক্ষকদের এখনো প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরাও আছেন প্রশিক্ষণের বাইরে।

রাজধানীর রায়েরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পপি সরকার কালবেলাকে বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখনো প্রশিক্ষণ পাননি। কেন শুরু হয়নি, তা জানি না।

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মিজানুর রহমান সরকার বলেন, নতুন কারিকুলাম ফলপ্রসূ করতে হলে অবশ্যই কিন্ডারগার্টেনকে মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ, এখানে ৫ লাখ শিক্ষক রয়েছেন। আমরা ৩০ শতাংশ সহযোগিতা দিয়ে থাকি সরকারকে। আমাদের প্রশিক্ষণের বাইরে রেখে কারিকুলাম বাস্তবায়ন সফল হবে না।

প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে উল্লেখ করে মাউশি পরিচালক অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টি এখনো আলোচনা হয়নি। আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষক প্রশিক্ষণ চলমান থাকবে। একটা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে বুধবার থেকে। আর কিন্ডারগার্টেনের বিষয়ে আমাদের চিন্তা-ভাবনা আছে। এটাকে একটা কাঠামোতে আনার জন্য চেষ্টা করছি।

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন…

শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ভালো পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না। খুব তাড়াহুড়া করা হচ্ছে। কারিকুলাম প্রণয়নে এমন কিছু দেশের কারিকুলামকে রেফারেন্স হিসেবে আনা হয়েছে, যেসব দেশের সক্ষমতার সঙ্গে আমাদের দেশের সক্ষমতার অনেক পার্থক্য। এ ক্ষেত্রে আমাদের সামগ্রিক বাস্তবতা কতটুকু বিবেচনায় এসেছে তাতেও প্রশ্ন ওঠে।

তিনি বলেন, কারিকুলাম বাস্তবায়নে আমাদের বরাদ্দ কম। আমাদের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নেই। এ ছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় জাতীয় রূপরেখা কীভাবে বাস্তবায়ন, তা এখনো সুস্পষ্ট নয়। কারিগরি ও মাদ্রাসার নিজস্ব কিছু বিষয় আছে, সেটা তারা কীভাবে পড়বে? প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা মাধ্যমিক প্যাটার্নে প্রশিক্ষণ পান কিনা, এটা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কারিকুলাম বাস্তবায়নের আগে পাইলটিংয়ের সময় করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিখন ঘাটতি ইত্যাদি নিয়ে শিক্ষকরা ব্যস্ত ছিলেন। স্কুল সিস্টেম তখন সঠিকভাবে কাজ করতে পারছিল না। পাইলটিংয়ের সময় এসব বিষয়কে কতখানি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটাও একটা সংশয়ের বিষয়।

অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, একেক জায়গার প্রশিক্ষণ একেক রকম হয়ে যায়। মাস্টার ট্রেইনার থেকে মাঠপর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকমের মেসেজ চলে যায়। এটাও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় মাস্টার ট্রেইনাররাই প্রশিক্ষণগুলো ভালো করে রপ্ত করতে পারেন না। আবার মাস্টার ট্রেইনার প্রস্তুত প্রক্রিয়াও ছোট। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা নিজেদের মতো করে বুঝিয়ে দিয়ে আসেন। আবার প্রশিক্ষণের সময় কম। এজন্য বাজেট বাড়ানো দরকার। কারণ, প্রশিক্ষণের সঙ্গে বাজেটের একটা সম্পর্ক আছে।

এই মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, নতুন কারিকুলাম শিক্ষকদের এক দিনেই শিখিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তারা পড়াতে গিয়ে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হবেন তার সমাধানে উপজেলা পর্যায়ে লোকাল ব্যবস্থা থাকা দরকার, যেখানে গিয়ে তারা সমস্যাগুলো জানাতে ও এর সমাধান করতে পারেন। পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষকতায় উৎসাহী করতে হবে। তাদের শিক্ষায় নিয়ে আসতে পারলে শিক্ষার সামগ্রিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

এনসিটিবির তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকের প্রথম এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠদান হচ্ছে। দ্বিতীয় শ্রেণির নতুন কারিকুলাম ২০২৪ সালে শুরু হবে। এর সঙ্গে আগামী বছর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণি, ২০২৬ সালে একাদশ এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমের আওতায় আসবে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০১/১৩/২৩