দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গাঃ দেশে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সঙ্গে ২৬ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলা এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সব জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্য প্রবাহ কিছু এলাকা থেকে প্রশমিত হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

আজ মধ্যরাত থেকে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় মাাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

অস্থায়ীভাবে আংশিক মেগলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশের রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে, আজ পৌষের ২৮ তারিখ। পৌষের শেষ প্রান্তে এসে যেন মাঘের হাড়কাঁপানো শীত জেঁকে বসেছে। ঘন কুয়াশা আর মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সূর্যের দেখা না মেলায় দিনেও শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ।

এদিকে প্রচণ্ড শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১ জানুয়ারি শিশু ওয়ার্ডে শহরের প্রান্তপাড়ার তোয়াব আলীর ২০ দিন বয়সী মেয়ে তাসকিন ও জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের প্রদীপের মেয়ে ৮ মাস বয়সী বৈশাখী, ৬ জানুয়ারি সরোজগঞ্জের লিটনের ছেলে ১০ দিন বয়সী আবু রহমান, ডিঙ্গেদহ গ্রামের মনিরুলের ছেলে একমাস বয়সী আব্দুল্লাহ, বালীয়াকান্দি গ্রামের ফরিদের মেয়ে চারঘন্টা বয়সী ও পীরপুর গ্রামের শরিফুলের একদিন বয়সী মেয়ে টুনি মারা গেছে। তবে এ পর্যন্ত ডায়রিয়ায় চিকিৎসা নিতে আসা কোন রোগী মারা যায়নি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আতাউর রহমান জানান, শীতের কারণে  শীতজনিত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে বেড়ে গেছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় চিকিৎসা সেবা দেয়া দুরূহ হচ্ছে। প্রত্যেকদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন ভর্তি রোগী ও বহিঃবিভাগে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ জন রোগীর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০১/১২/২৩