তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে দুই হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের তুমব্রু নো-ম্যান্সল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১২টি পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশু অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। সীমান্তরক্ষী বিজিবির চোখে ফাঁকি দিয়ে বুধবার গভীর রাতে এসব রোহিঙ্গা তুমব্রু এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছে। জানা গেছে, বুধবার সন্ত্রাসী রোহিঙ্গাদের গুলিতে নিহতদের জিরো পয়েন্টের কোনারপাড়া ক্যাম্পের পাশে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে অন্তত পাঁচশ’ আশ্রয়কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওইসব কক্ষের রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর মধ্যে ৩শ’ পরিবারের দুই হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের সামান্যতম ভেতরে পাহাড়ের পাদদেশে তাঁবু টাঙিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। ২৬০ পরিবারের সহ¯্রাধকি রোহিঙ্গা গোপনে তুমব্রু (বাংলাদেশ অভ্যন্তরে) অনুপ্রবেশ করেছে। তারা তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাসপাতাল পাড়ায় বিভিন্ন বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজসহ জনপ্রতিনিধিগণ বৃহস্পতিবার সকালে কোনারপাড়াসহ রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করে যেসব স্থানে আশ্রয় নিয়েছে, ওইসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয়দের বাড়ি-ঘরে যেসব রোহিঙ্গা আপাতত আশ্রয় নিয়েছে, তাদের সবাইকে তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একত্রিত হওয়ার জন্য প্রচার চালিয়েছেন।

রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করার সময় স্থানীয় কিছু বখাটে যুবক তাদের কাছ থেকে নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মাল ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ স্থানীয় পাড়া প্রতিবেশীদের ডেকে জমায়েত করে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া টাকা ও মালামাল ফেরত দেয়ার কড়া নির্দেশ দেন। এদিকে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জওয়ানরা ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে। স্থানীয় অধিবাসি ব্যতীত অপরিচিত বা অন্য এলাকার কাউকে সীমান্ত অঞ্চলে প্রবেশে বারণ করছে। বিজিবি জওয়ানরা সীমান্ত এলাকায় তাদের নিয়মিত টহল জোরদার করেছে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০১/২০/২৩