তাপমাত্রা কমার সাথে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা এ সপ্তাহে

সারা দেশে রাত থেকেই তাপমাত্রা আরও কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ৩ দিনের তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সারা দেশে রাত থেকেই তাপমাত্রা আরও কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ৩ দিনের তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 অধিদপ্তরের দৈনিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশে পাশের এলাকায় অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বার্ধিতাংশ বিহার ও এর আশেপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দুএক জাযগায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

 বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি মাসেই দেশে ২ থেকে ৩টি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে একটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহে রূপ নিতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম থাকতে পারে।তবে গত ৩ বছরের মতো এবারও ঋতুচক্র এবং ঋতুর বৈশিষ্ট্যে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ২০১৯ সাল থেকেই শীতে বৃষ্টিপাত দেখা যাচ্ছে। তাপমাত্রা থাকছে স্বাভাবিকের তুলনা বেশি। যদিও আজ রাত থেকেই সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। মূলত ২০ তারিখের দিকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, এবার নভেম্বরে আমরা আগাম শীত দেখলাম। কিন্তু ডিসেম্বরে স্বাভাবিক শীত দেখা গেল না। এর কারণ ছিল বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়। সাধারণত যখন ঘূর্ণিঝড় হয় তখন তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ডিসেম্বরে আমাদের সাগরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। তার প্রভাব আমরা ঋতুচক্রে দেখেছি।

ডিসেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সারা দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০১ দশমিক শূন্য শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১ ডিসেম্বর মধ্য-আন্দামান সাগর ও এর আশে পাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়। পরদিন দক্ষিণ-পূর্ব ও এর আশে পাশের এলাকায় এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। ওই রাতেই একই এলাকায় এটি নিম্নচাপে পরিণত হয়। ৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশে পাশের এলাকায় গভীর নিম্নচাপ ও দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর পরিণত হয়। জাওয়াদে কোনো ক্ষতি না হলেও পরবর্তীতে নিম্নচাপের প্রভাবে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়। এ সময় কুমিল্লায় মাসের দৈনিক সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ১২৪ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়। উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশে পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তার লাভ করায় ২০ ও ২১ ডিসেম্বর রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যায়। ২০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

ডিসেম্বর মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। কক্সবাজারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

বজলুর রশিদ আরও বলেন, নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হলে সাধারণত শ্রীলঙ্কার দিকে চলে যায়। এবার ঝড় আমাদের দিকে না এলেও নিম্নচাপ রূপে এসেছিল। যার ফলে ডিসেম্বরে এত বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গত বছর জানুয়ারিতে বেশি বৃষ্টি হয়েছে, তার আগের বছর ডিসেম্বরে। এবার জানুয়ারির শেষের দিকে তীব্র শৈত্য প্রবাহ আসতে পারে। তবে সে সম্ভাবনা খুবই কম। সাধারণত ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীত থাকে, এবার হয়তো প্রথম সপ্তাহেই গরম থাকবে।

অধিদপ্তরের দৈনিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশে পাশের এলাকায় অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বার্ধিতাংশ বিহার ও এর আশেপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দুএক জাযগায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি মাসেই দেশে ২ থেকে ৩টি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে একটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহে রূপ নিতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম থাকতে পারে।

তবে গত ৩ বছরের মতো এবারও ঋতুচক্র এবং ঋতুর বৈশিষ্ট্যে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, ২০১৯ সাল থেকেই শীতে বৃষ্টিপাত দেখা যাচ্ছে। তাপমাত্রা থাকছে স্বাভাবিকের তুলনা বেশি। যদিও আজ রাত থেকেই সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। মূলত ২০ তারিখের দিকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, এবার নভেম্বরে আমরা আগাম শীত দেখলাম। কিন্তু ডিসেম্বরে স্বাভাবিক শীত দেখা গেল না। এর কারণ ছিল বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়। সাধারণত যখন ঘূর্ণিঝড় হয় তখন তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ডিসেম্বরে আমাদের সাগরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। তার প্রভাব আমরা ঋতুচক্রে দেখেছি।

ডিসেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সারা দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০১ দশমিক শূন্য শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১ ডিসেম্বর মধ্য-আন্দামান সাগর ও এর আশে পাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়। পরদিন দক্ষিণ-পূর্ব ও এর আশে পাশের এলাকায় এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। ওই রাতেই একই এলাকায় এটি নিম্নচাপে পরিণত হয়। ৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশে পাশের এলাকায় গভীর নিম্নচাপ ও দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর পরিণত হয়। জাওয়াদে কোনো ক্ষতি না হলেও পরবর্তীতে নিম্নচাপের প্রভাবে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়। এ সময় কুমিল্লায় মাসের দৈনিক সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ১২৪ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়। উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশে পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তার লাভ করায় ২০ ও ২১ ডিসেম্বর রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যায়। ২০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

ডিসেম্বর মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। কক্সবাজারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

বজলুর রশিদ আরও বলেন, নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হলে সাধারণত শ্রীলঙ্কার দিকে চলে যায়। এবার ঝড় আমাদের দিকে না এলেও নিম্নচাপ রূপে এসেছিল। যার ফলে ডিসেম্বরে এত বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গত বছর জানুয়ারিতে বেশি বৃষ্টি হয়েছে, তার আগের বছর ডিসেম্বরে। এবার জানুয়ারির শেষের দিকে তীব্র শৈত্য প্রবাহ আসতে পারে। তবে সে সম্ভাবনা খুবই কম। সাধারণত ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীত থাকে, এবার হয়তো প্রথম সপ্তাহেই গরম থাকবে।