ডেঙ্গুর মোট ৪ ধরনের মধ্যে ৩টিই সক্রিয়

নিউজ ডেস্ক।।

এ বছর ডেঙ্গুর চারটি ধরন শনাক্ত হয়, যার মধ্যে তিনটি ধরনই সক্রিয়। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির এটি একটি কারণ। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত ডেঙ্গু বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডেঙ্গু রোগীরা বিলম্বে হাসপাতালে আসছেন। যাঁদের মৃত্যু হচ্ছে, তাঁদের ৬৪ শতাংশ মারা যাচ্ছেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তিন দিনের মধ্যে। অন্যদিকে ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি।

বছরের শুরু থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৫১৭ জন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, ‘জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর অনেকে গুরুত্ব দেন না। পরিস্থিতি বেশ খারাপ হওয়ার পরেই কেউ কেউ হাসপাতালে আসছেন। এই বিলম্বের কারণে হাসপাতাল আসার পরপরই মৃত্যুর হার বেশি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, ‘মানুষকে সচেতন হতে হবে, বাড়িতে এডিস মশা না থাকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিতে হবে। জ্বরে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে বা হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিশ মশা এখন সারা দেশে। সিটি করপোরেশন মশা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ও নিধন করতে পারবে না। সব মহানগরসহ সারা দেশের মশা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পৃথক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।