জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট নেই, ইমেজ সংকটও নেই : ভিসি অধ্যাপক হারুন

প্রকাশিত: ১১:১৪ অপরাহ্ণ, সোম, ১ মার্চ ২১

নিউজ ডেস্কঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়কার অভিশাপ সেশনজট এখন আর নেই। ইমেজ সংকটও নেই। ’

সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট হলে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদ পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং এ এসব কথা বলেন মাননীয় উপাচার্য। তিনি গত ৮ বছরে বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সাফল্য ও অগ্রগতি সাংবাদিকদের সামনে সবিস্তার তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান, স্নাতকপূর্ব স্কুলের ডিন অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান, জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক ফয়জুল করিমসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন ।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রাশ প্রোগ্রাম নামে বিশেষ একটি একাডেমিক ক্যালেন্ডার উদ্ভাবন এবং তা কার্যকরের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশন জটের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে সমর্থ হই। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়মনীতি, কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে এসে ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’ এ নীতি অনুসরণ করে ইমেজ সংকট থেকে রক্ষা করতে পেরেছি। কিছুদিন পূর্বেও এটিকে শিক্ষাবোর্ড হিসেবে দেখা হতো। নানা ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে ‘শিক্ষা বোর্ডে’র ইমেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সমর্থ হয়েছি।” বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, পরিচালন পদ্ধতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ ছাড়াও নতুন-নতুন একাডেমিক কোর্স প্রবর্তন করা হয়েছে। এখানে আইন দপ্তর, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তর নামে দুইটি নতুন দপ্তর খোলা হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ তদন্ত ও দূর্নীতি প্রতিরোধ কল্পে নতুন একটি সেলও গঠণ করা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আজ একটি আইটিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে শতকরা ৯৫ ভাগ কর্মকাণ্ড অন-লাইনের মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে এর অধীনস্থ কলেজসমূহ প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল বিষয়ে শর্টকোর্স বা ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম চালুর কথা আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.