জনপ্রতি ৮ লাখ টাকা করে নিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুনের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জনপ্রতি আট লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।

খোকসা উপজেলার খোকসা গ্রামের বাসিন্দা সজল বলেন, তাঁর সহধর্মিণীকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন আট লাখ টাকা নিয়েছেন; কিন্তু চাকরি হয়নি। এখন টাকা ফেরত চাইতে গেলে তিনি আর দেখা করছেন না, এমনকি তাঁকে ফোন দিলেও তা ধরছেন না।

কুমারখালী উপজেলার মহেন্দ্রপুর গ্রামের আল আমিন জানান, তাঁর ভাইয়ের সহধর্মিণীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন আট লাখ টাকা নিয়েছেন; কিন্তু তাঁর চাকরি হয়নি। এখন টাকা ফেরত চেয়ে দিনের পর দিন ঘুরলেও তাঁর দেখা পাওয়া যাচ্ছে না।

টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন বলেন, ‘আমি তিনজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। একটু সমস্যার কারণে এই মুহূর্তে কারো সঙ্গে দেখা করছি না। তবে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের টাকা ফেরত দিয়ে দেব।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই লেনদেনসংক্রান্ত প্রমাণাদি থাকলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিচ্ছি।’

টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।

খোকসা উপজেলার খোকসা গ্রামের বাসিন্দা সজল বলেন, তাঁর সহধর্মিণীকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন আট লাখ টাকা নিয়েছেন; কিন্তু চাকরি হয়নি। এখন টাকা ফেরত চাইতে গেলে তিনি আর দেখা করছেন না, এমনকি তাঁকে ফোন দিলেও তা ধরছেন না।

কুমারখালী উপজেলার মহেন্দ্রপুর গ্রামের আল আমিন জানান, তাঁর ভাইয়ের সহধর্মিণীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন আট লাখ টাকা নিয়েছেন; কিন্তু তাঁর চাকরি হয়নি। এখন টাকা ফেরত চেয়ে দিনের পর দিন ঘুরলেও তাঁর দেখা পাওয়া যাচ্ছে না।

টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিনা খাতুন বলেন, ‘আমি তিনজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। একটু সমস্যার কারণে এই মুহূর্তে কারো সঙ্গে দেখা করছি না। তবে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের টাকা ফেরত দিয়ে দেব।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই লেনদেনসংক্রান্ত প্রমাণাদি থাকলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিচ্ছি।’