চলতি অর্থ বছরেই শেষ হবে নতুন এমপিওভুক্তির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ২:৫৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গল, ৫ অক্টোবর ২১

অনলাইন ডেস্ক।।
নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির কাজ এবারের অর্থবছরেই শেষ হবে। আগামী ১০ অক্টোবর শুরু করে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন করা যাবে। আবেদন গ্রহণ শেষে নির্ধারিত নিয়মে যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির নির্দেশ দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর এমপিওভুক্ত করবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আশা করেছিলাম আগেই পারবো। কিন্তু চিন্তা যত দ্রুত এগিয়ে যায়, বাস্তবায়ন তত দ্রুত করা যায় না। আমরা শিগগিরই করতে পারবো। করোনার কারণে বা অন্য কোনও কারণে বাস্তবায়ন না হওয়ায় যেসব শিক্ষকরা অবসরে যাচ্ছেন তাদের ক্ষতিটা তো হয়েই গেলো। তবে এবারের অর্থবছরেই এমপিওভুক্তি সম্ভব। আমাদের অর্থ বরাদ্দও রয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে মোট ৩৯ হাজার ৯২টি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দেশে এমপিওভুক্ত কলেজ রয়েছে ৪ হাজার ৭টি, নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় ১৯ হাজার ৮৪৭টি, মাদ্রাসা রয়েছে ৯ হাজার ৩৪১টি এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫ হাজার ৮৯৭টি। আর বর্তমানে দেশে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর একযোগে ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/স্তর এমপিওভুক্ত করে তালিকা জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর ওই বছরের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। তবে শর্ত পূরণ করতে না পারায় এসব প্রতিষ্ঠানের দুই-একটি বাদ পড়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৮ সালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধনের জন্য ২০২০ সালের নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ে। এ বছরের মার্চে এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হয়। এরপর করোনা পরিস্থিতির কারণে আরও পিছিয়ে যায় এমপিওভুক্তির কার্যক্রম। সংশোধিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় নতুন এমপিওভুক্তিতে শর্ত শিথিল করা হয়। আর নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করার প্রয়োজন পড়ে। 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.