কোরবানির ঈদে হৃদরোগীদের জন্য সতর্কতা

ওজন খেয়াল রাখুন

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার দুটি উপায়—

ক) প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো শর্করাজাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করা। ভাত, আলু, চিনি, মিষ্টি, মিষ্টান্ন, চাল ইত্যাদি খাবার কমিয়ে দিতে হবে। পরিমাণমতো চর্বি, পর্যাপ্ত মাছ, সাদা মাংস (মুরগি), কুসুমসহ একটি ডিম, ইচ্ছেমতো শাকসবজি, সালাদ, পরিমিত তাজা ফল এবং কমপক্ষে দুই লিটার পানি খেতে পারবেন।

খ) দ্বিতীয় কার্যকর পদ্ধতি হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা। খোলা জায়গায় সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটবেন, যাতে শরীর থেকে ঘাম ঝরে এবং হার্টবিট ১২০ পর্যন্ত ওঠে। ওজন কমানোর পাশাপাশি হাঁটাচলা বা ব্যায়াম হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালি সতেজ রাখে, ব্লকমুক্ত রাখে, প্রেশার ও ডায়াবেটিস কমায়, কোলেস্টেরল কমায় এবং মন সতেজ রাখে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন

উচ্চ রক্তচাপ হলো এক নীরব ঘাতক। ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এ সমস্যার কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। উচ্চ রক্তচাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে তা হার্ট, কিডনি, ব্রেন, চোখের রেটিনা, পায়ের রক্তনালিসহ সারা শরীরের ক্ষতি করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন

বছরে একবার ডায়াবেটিস চেক করুন। একটা স্যাম্পলে অনেক সময় প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না। তাই কমপক্ষে দুটো স্যাম্পল (যেমন নাশতার ২ ঘণ্টা পরের সুগার ও তিন মাসের গড় সুগার জানতে HbA1C)) পরীক্ষা করুন। ডায়াবেটিসের ফলে শরীরের সব রক্তনালি আক্রান্ত হয়। তাই হৃদ্‌রোগের সঙ্গে এটি সরাসরি যুক্ত। চিকিৎসার প্রথম ধাপ হলো ডায়েট ও ব্যায়াম। এ পদ্ধতিতে সুগার নিয়ন্ত্রণ না হলে প্রয়োজন হবে খাবার বড়ি নয়তো ইনসুলিন।