কারিগরি শিক্ষার জনবল কাঠামোয় সংশোধনী

প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ২৭ মে ২১

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক।।

বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা জারির সাড়ে ৫ মাস পর বেশ কয়েকটি পদ বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত নভেম্বরে এমপিও নীতিমালার সংশোধনীতে বেশকিছু পদসৃষ্টি করেও অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না নিয়ে তা জারি করা হয়েছিল। পরে নতুন পদ সৃজনে অর্থ মন্ত্রণালয় আপত্তি জানানোয় পাঁচটি পদ বাতিল করা হয়েছে। সম্প্রতি বিষয়টি জানিয়ে আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

জানা গেছে, কারিগরি প্রতিষ্ঠানের বাতিল হওয়া পদগুলো হলো,  সংযুক্ত এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউটের পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর ও রসায়ন বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর পদ এবং ডিপ্লোমা ইন ফিসারিজ ইনস্টিটিউটের পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর ও রসায়ন বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর পদ।

 ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জারি করা হয় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত এমপিও নীতিমালা। এ নীতিমালায় বেশকিছু পদ সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন করানো হয়নি। কারিগরির সংশোধিত নীতিমালায় বিএম কলেজের সাথে সংযুক্ত এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পদটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে জারি করা নীতিমালায় পদটি ছিল না। গত ২৯ এপ্রিল নীতিমালার এসব পদ সৃজনের বিরোধীতা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়। নীতিমালাগুলো চূড়ান্তকরণের অর্থবিভাগ কিছু শর্ত দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, সংযুক্ত এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যাবে না। অপর দিকে সংযুক্ত ডিপ্লোমা এগ্রিকালচার ও ফিশারিজ প্রতিষ্ঠানের ১৭ টি পদের মধ্যে ১৫টি সৃজন করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর পদার্থ ও রসায়নের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদ বাতিল করার কথা বলেছে অর্থ বিভাগ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছেন, নীতিমালা দুইটিতে নতুন পদ সৃষ্টি করা হলেও তা প্রকাশের আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেয়া হয়নি। তাই, নীতিমালা জারির ৫ মাস পর অর্থ মন্ত্রণালয় এর বিরোধীতা করছে। কর্মকর্তারা বলছেন, স্কুল কলেজের এমপিও নীতিমালা জারির আগে তা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন করে নেয়া হয়েছে। তবে, কারিগরি ও মাদরাসার নীতিমালার ক্ষেত্রে এ অনুমোদন না নেয়ায় এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.