করোনায় মৃত্যু ৩,শনাক্তের হার ১৫ ছাড়িয়েছে

বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমণের চিত্রে কয়েক দফা ওঠানামা করতে দেখা গেছে। করোনা পরিস্থিতি প্রায় সাড়ে তিন মাস নিয়ন্ত্রণে থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের প্রভাবে দ্রুত বাড়তে থাকে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে নিয়মিতভাবে রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার কমেছে। দেশে সংক্রমণ কমে আসায় আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়।

তুলে নেওয়া হয় করোনাকালীন বিধিনিষেধ। ২৫ মার্চ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০০-এর নিচেই ছিল। এর পর থেকে তা প্রতিদিন বাড়তে থাকে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ১ হাজার ২৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ২১৪ জন ঢাকা বিভাগের। এর মধ্যে ১ হাজার ১৯০ জনই মহানগরসহ ঢাকা জেলার। এ সময় রংপুর বিভাগ বাদ দিয়ে সব বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৫০, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ৫ জন করে, খুলনা ৪, সিলেট ও রাজশাহীতে ১ জন করে করোনা শনাক্ত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। বাকি একজন বরিশাল বিভাগের।

সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৫১৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনের।

দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগসহ ছয় দফা ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সরকারের করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটি।