আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে চায় টাইগাররা

নিউজ ডেস্ক।।

হারতে হারতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আত্মবিশ্বাস এখন একেবারেই তলানিতে। টাইগাররা সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে জুলাইয়ে। ওই টেস্ট ম্যাচের পর টানা খেলেছে টি-২০ সিরিজ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ খেলেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুটি টি-২০ সিরিজ। এরপর টি-২০ বিশ্বকাপ এবং সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ। জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাহমুদুল্লাহ বাহিনী টি-২০ বিশ্বকাপে।

প্রথম রাউন্ডের দুই জয়ে সুপার টুয়েলভে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। এরপরই নিজেদের খুঁজে বেড়াতে শুরু করে আসরে। সুপার টুয়েলভের টানা ৫ ম্যাচে হেরে আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকে টাইগারদের। টানা হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ঘরের মাঠে পাকিস্তান সিরিজেও।

টানা তিন হারে হোয়াইটওয়াশ হয় বাবর আজমদের কাছে। টানা হারের ধাক্কা সামলে উঠার আগে আজ আবার মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তানের। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাবরের পাকিস্তানের বিপক্ষে একেবারে নতুন খোলশে সাদা পোশাকে লাল বলের লড়াইয়ে নামছে মুমিনুল হকের বাংলাদেশ। দুই দল পরস্পরের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

রাওয়ালপিন্ডির টেস্টে মুমিনুল বাহিনী হেরেছিল ইনিংস ও ৪৪ রানে। বাংলাদেশের মাটিতে দুই দল সর্বশেষ টেস্ট সিরিজ খেলেছিল ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পরপর। ওয়ানডে সিরিজে টাইগাররা হোয়াইটওয়াশ করেছিল পাকিস্তানকে। তামিম ইকবালের ডাবল সেঞ্চুরি ও ইমরুল কায়েশের সেঞ্চুরিতে ড্র করেছিল খুলনায়। তবে হেরেছিল মিরপুরে। চট্টগ্রামে দুই দল সর্বশেষ সাদা পোশাকে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১১ সালে। এক দশক পর দুই দল পুনরায় খেলবে চট্টগ্রামে।

১০ বছর আগের ওই টেস্টে একসঙ্গে খেলেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘পঞ্চপা-ব’-এর ‘চার’ মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও তামিম ইকবাল। এক দশক পর চট্টগ্রাম টেস্টে শুধু দেখা যাবে মুশফিককে। বাকি তিন ক্রিকেটারের দুজন সাকিব ও তামিম খেলছেন না ইনজুুরির জন্য।

যদিও সাকিব শুরুতে চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন। কিন্তু ফিটনেস টেস্টে উতরাতে পারেননি। তাই সুযোগ হয়নি। মাহমুুদুল্লাহ বিদায় জানিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটকে। তিন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ছাড়াই মুমিনুল লড়াইয়ে নামছেন। আজ অভিষেক হতে পারে মাহমুদুল হাসান জয়ের। ওপেনিংয়ে তাকে দেখা যেতে পারে বাঁ হাতি সাদমান ইসলামের সঙ্গে। যদিও সাইফ হাসান রয়েছেন স্কোয়াডে। তারপরও অফ ফর্মের জন্য তার খেলার সম্ভাবনাই বেশি। টি-২০ সিরিজের দুই ম্যাচে সাইফ রান করেন ১ ও ০।

শেষ মুহূর্তে স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন দুই পেসার খালেদ আহমেদ ও শহীদুল ইসলামকে দলভুক্ত করেছেন নির্বাচক প্যানেল। এর আগে একেবারে নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন রেজাউর রহমান রাজা। একেবারেই নতুন দল নিয়ে চট্টগ্রামে নতুনভাবে নামছে মুমিনুল বাহিনী।