অ্যাজমার ঔষধে নিরাময় করোনা

প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ণ, বুধ, ১০ ফেব্রুয়ারি ২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
অ্যাজমা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি সাধারণ ওষুধে কভিড-১৯ রোগে আক্রান্তদের তুলনামূলক দ্রুত সুস্থ হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি।

গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে রয়টার্স জানিয়েছে, উপসর্গ দেখা দেয়ার সাত দিনের ভেতর ইনহেলারের মাধ্যমে বুডিসোনাইড (Budesonide) জেনেরিক নামের ওষুধটি দিতে পারলে রোগীদের সুস্থ হওয়ার সময় যেমন কমে আসে, তেমনি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

গবেষণাটি এখনো দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়ালে রয়েছে। কোনো পিয়ার-রিভিড জার্নালেও প্রকাশ করা হয়নি।

বুডিসোনাইড ওষুধটি করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার। পালমিকোর্ট ব্র্যান্ডনেমে নামে তারা এটি বিক্রি করে থাকে। ধুমপায়ীদের ফুসফুসের চিকিৎসায়ও এটি ব্যবহার করা হয়।

১৪৬ জন রোগীকে নিয়ে করা ২৮ দিনের গবেষণায় অক্সফোর্ড দেখেছে সাধারণ করোনা রোগীদের তুলনায় বুডিসোনাইড ব্যবহার করা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৯০ শতাংশ কম।

করোনার দিনগুলোতে চিকিৎসকেরা দেখেন, শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা নেয়া রোগীরা নতুন রোগটিতে আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে কম আসছেন। তখন গবেষকেরা ধারণা করেন অ্যাজমা রোগের ওষুধের কারণে তাদের সমস্যা কম হয়ে থাকতে পারে। এরপর তারা গবেষণা শুরু করেন।

বিশ্লেষণের প্রাথমিক ডেটায় দেখা গেছে, বুডিসোনাইড ব্যবহার করা রোগীদের জ্বরও কম হয়।

ওষুধটি বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে পাওয়া যায়। করোনার দিনগুলোতে অনেক চিকিৎসক এটি রোগীদের ব্যবহার করতে বলেছেন।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা অ্যাজমার বিকল্প চিকিৎসার জন্য সিমবিকোর্ট নামের আরেকটি ওষুধ আনার কথা জানিয়েছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.