অধিকার ও সত্যের পক্ষে

ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখি ভাতার ঘোষনায় উচ্ছ্বাস, রবিবার আনন্দ মিছিল

 নিজস্ব প্রতিবেদক ||

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার ঘোষণায় উচ্ছ্বাসপ্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা। তারা বলেন, দেশের ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারি এই ন্যায্য সুবিধা পাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধায় গণভবনে বিভিন্ন ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার ঘোষণায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রবিবার আনন্দ মিছিল করবে ¯স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ। দেশের প্রতিটি জেলায় এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

১০ টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ মোর্চা শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়কারী আসাদুল হক বলেন, আন্দোলন ও শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বৈঠকের ফলশ্রুতিতে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারী শিক্ষকদের ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা প্রদান করেছে। এ জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা প্রদান করার ঘোষণা শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যের প্রাথমিক পদক্ষেপ।

তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার সংখ্যা প্রায় ২৮ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। তাদের ইনক্রিমেন্টের জন্য বছরে বাড়তি ৫৩১ কোটি ৮২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা লাগবে। আর বৈশাখী ভাতার জন্য লাগবে ১৭৭ কোটি ২৭ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।

সরকার ২০১৫ সালে অষ্টম বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা চালু করে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলা নববর্ষে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে এই ভাতা পান। ওই বেতন কাঠামোতেই আগের সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেলের বিধান বাতিল করে ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টের নিয়ম চালু করে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিরা অষ্টম বেতন কাঠামো অনুযায়ী মূল বেতন পেলেও ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখি ভাতা থেকে এতোদিন বঞ্চিত ছিলো। এজন্য তারা নানা আন্দোলন সংগ্রামও করেছেন। অবশেষে নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষকদের দাবি মেনে নিলো সরকার।

একই ধরনের আরও সংবাদ