অধিকার ও সত্যের পক্ষে

বিশেষ পরামর্শঃ বহু নির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে না

 ড. শাহান আরা বেগম।।

ড. শাহান আরা বেগম, অধ্যক্ষ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা।

এ বছর (২০১৮) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন এসেছে। গোটা প্রশ্নই (১০০ শতাংশ) হবে যোগ্যতাভিত্তিক।

কোনো বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) থাকবে না।

এমসিকিউ না থাকায় অনেকের কাছে কঠিন মনে হতে পারে। পুরো বইয়ের বিষয়বস্তুর ওপর যথেষ্ট ধারণা থাকলে চিন্তার কিছু নেই। ছোট অনেক প্রশ্ন আছে, সেগুলোর উত্তর সহজেই অল্প সময়ে লেখা যাবে।

এই বয়সে শিক্ষার্থীদের বড় সমস্যা—পড়ে পরে আবার ভুলে যায়। এর সমাধান হচ্ছে—বারবার পড়তে হবে। এখন যেহেতু ক্লাস নেই, বাসায় পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পুরোটা সময় দিতে পারবে। চূড়ান্ত পরীক্ষার আগে বাসায় নমুনা বা মডেল প্রশ্নপত্রের আলোকে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা দেবে। তাহলে দুর্বলতা কাটবে।

শিক্ষার্থীদের জীবনে এটাই প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় তারা প্রথমবারের মতো অনেক কিছুর মুখোমুখি হবে। তাই অভিভাবকদের উচিত, শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে খেয়াল রাখা। পরীক্ষার্থীর অবস্থা বুঝে করণীয় ঠিক করা, যাতে প্রস্তুতি ভালো হয়।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরীক্ষায় একেবারে নতুন কলম দিয়ে লেখে। নতুন কলম খসখসে থাকায় লিখতে সমস্যা হয়। বাসায় একটু লেখালেখি করে নতুন কলম চালু করে নাও, যাতে পরীক্ষার হলে দ্রুত লেখা যায়।

এ বছর পরীক্ষার্থীরা যে উপজেলায় পরীক্ষা দেবে সেই উপজেলায়ই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।

                                  দরকারি টিপস

♦ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ধর্ম—এই তিন বিষয়ের প্রশ্নকাঠামো একই ধরনের। এসব বিষয়ের প্রশ্নপত্রে সংক্ষিপ্ত, শূন্যস্থান, মিলকরণ ও কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন থাকবে।

♦ প্রশ্নপত্র সৃজনশীল/যোগ্যতাভিত্তিক পদ্ধতির হওয়ায় বড় প্রশ্নগুলো কৌশল প্রয়োগ করে করা হয়, যাতে উত্তর দিতে পরীক্ষার্থীদের  মাথা খাটাতে হয়। এ ধরনের প্রশ্ন খেয়াল করে বুঝে দিতে হবে।

♦ কোন প্রশ্নের উত্তরে কত সময় নেবে—আগেই ঠিক করবে। তাহলে পরীক্ষায় সময়মতো সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

♦ উত্তরপত্র ভাঁজ করবে না। মার্জিন করবে।

একই ধরনের আরও সংবাদ