অধিকার ও সত্যের পক্ষে

নারান্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

 নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের কলি মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে নানাহ অনিয়ম দুর্ণীতির অভিযোগ করার পরও রহস্যজনক কারণে কোন প্রতিকার না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে অভিভাবক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. আ. ছালাম সরকার, নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আরিফুজ্জামান খোকা, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আসকর ভূইয়া, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক মীর্জা হোসাইন, নারান্দিয়া ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. জুলফিকার আলী, নারান্দিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল রানা, ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. বিল্লাল হোসেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ফয়সাল ইকবাল, মো. তোফায়েল আহমেদ, এসএসসি শিক্ষার্থী মো. মোক্তার হোসেন প্রমূখ।লিখিত অভিযোগে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বিদ্যালয়টিতে সেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে যা খুশি তাই করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভর্তি বাণিজ্য। জেএসসি ও এসএসসি’র ফরম পুরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের মোটা অঙকের বিনিময়ে পাস দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং টাকা না দেয়ায় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ফরম ফিলাপ থেকে বাদ দেয়াসহ শত অভিযোগের সত্যতা পেলেও সংশ্লীষ্ট দপ্তর তার বিরুদ্ধে অদৃশ্য কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অনতিবিলম্বে এই দুর্ণীতি পরায়ন শিক্ষকের বহিস্কার করা হউক বলেও বিক্ষোব্ধরা শ্লোগন দেন।অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার কথা স্বীকার করে অফিস সহকারী ফারুক মিয়া বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশেই সব নেয়া হচ্ছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, এরা সবাই অযথাআমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। আমি এসব কোন বিষয়ে জড়িত না।

তবে ফেল করা শিক্ষার্থীদেরকে ফরম পুরণ করতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছে। কোন অর্থের বিনিময়ে নয়।এদিকে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম’র বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. আ. সালাম মিয়া দেয়া অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করতে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মাঈনুদ্দিন। তদন্ত বিষয়ে তিন বলেন, আমরা তদন্ত শুরু করেছে। প্রকাশ্যেই অভিযোগের বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষে লিখিত বক্তব্য দেয়ার জন্য সময় দেয়া হয়েছে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কমিটির দুর্বলতা থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

একই ধরনের আরও সংবাদ